জাতীয়

প্রামাণ্যচিত্রে ‘হরিপ্রভা তাকেদা: এন আনসং ট্র্যাভেলার অব বেঙ্গল’

‘হরিপ্রভা তাকেদা: এন আনসং ট্র্যাভেলার অব বেঙ্গল’ নামে প্রামাণ্যচিত্রের প্রথম প্রদর্শনী হয়েছে রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে।

শনিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রামাণ্যচিত্রের প্রদর্শনী শেষে আলোচনা সভা হয়।  এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি।  বিশেষ অতিথি ছিলেন মুনতাসীর মামুন, মফিদুল হক, শামিম আমিনুর রহমান, ফুয়াদ চৌধুরী।  জাপান থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন সাংবাদিক ও লেখক মনজুরুল হক।

হরিপ্রভা তাকেদাকে প্রামাণ্যচিত্রে তুলে এনেছেন ভ্রমণবিষয়ক লেখক এলিজা বিনতে এলাহী।  তিনি বলেন, ২৬ মিনিটের এই প্রামাণ্যচিত্রে কাহিনির প্রয়োজনে মাঝেমধ্যে তিনি নিজেই হরিপ্রভার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।  তাকেদার ভূমিকায় ছিলেন শফিকুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, হরিপ্রভা তাকেদাকে নতুন করে আবিষ্কার করেছিলেন মুনতাসীর মামুন। তার ‘ঢাকা: স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী’ (দ্বিতীয় খণ্ড) বইয়ে হরিপ্রভা সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে। প্রামাণ্যচিত্রটিতেও তিনি হরিপ্রভা সম্পর্কে বলেছেন। এছাড়া সাংবাদিক মনজুরুল হক, গবেষক কাজুহিরো ওয়াতানাবে ও সাংবাদিক তামামি কাওয়াকামি তথ্য-উপাত্ত দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হরিপ্রভা তাকেদা জাপান সফর করা প্রথম বাঙালি নারী, তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন জাপান সফর নিয়ে ভ্রমণ অভিজ্ঞতা লেখার জন্য।  বঙ্গমহিলার জাপানযাত্রা নামে তার এই ভ্রমণকাহিনি ঢাকা থেকেই প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১৫ সালে।  জাপান নিয়ে বাঙালির লেখা এটি প্রথম বই। এই বই দিয়েই জাপান ও জাপানি সমাজকে বাঙালিরা নিবিড়ভাবে জানতে পারে। বইটি ১৯৯৯ সালে পুনঃপ্রকাশ করে সাহিত্য প্রকাশ। এর ভূমিকা লিখেছিলেন জাপানপ্রবাসী বাঙালি সাংবাদিক মনজুরুল হক। বইটিতে মনজুরুল হক ও জাপানি গবেষক কাজুহিরো ওয়াতানাবের দুটি নিবন্ধ সংযুক্ত করা হয়।