হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে কাকাইলছেও ইউনিয়নের আলিপুর গ্রামে চায়ের ভেতর চেতনানাশক বস্তু মিশিয়ে পান করানোয় একই পরিবারের পাঁচ জনসহ মোট ৭ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ সময় বাড়িটি থেকে দুই লাখ টাকা লুট করেন প্রতিবেশী মলকুছ মিয়া বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে স্থানীয়রা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই ৭ জনকে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি ঘটলে সেখান থেকে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
অসুস্থরা হলেন হানিফ মিয়া (৬০), তার স্ত্রী তরু বেগম (৫০), দুলাল মিয়া(২০), মোবাশ্বির মিয়া (২৫), শাকিম মিয়া (১৭), সিয়াব (৭) এবং শোয়েব মিয়া (১৮)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৭) ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে উনিয়নের আলিপুর গ্রামের বাসিন্দা হানিফ মিয়ার বাড়িতে চা বানানো হয়। এ সময় প্রতিবেশী মোবাশ্বির মিয়া এবং শাকিল মিয়াসহ ওই পরিবারের সবাই চা পান করেন। অল্প কিছুক্ষণ পরই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাতেই প্রতিবেশীরা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে মঙ্গলবার ভোরে সাতজনকে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
হানিফ মিয়ার স্বজন মাহমুদ জামান বলেন, ‘চা পান করিয়ে অচেতন করে ঘরে থাকা দুই লাখ টাকা ও সোনার অলংকার লুট করে নিয়ে গেছেন প্রতিবেশী মলকুছ মিয়া।
আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মনির হোসাইন বলেন, ‘প্রাাথমিকভাবে আমরা তাদের পরিক্ষা নিরীক্ষা করে দেখেছি। মনে হচ্ছে খাবার অথবা অন্যকিছুর সঙ্গে তারা চেতনানাশক কিছু খেয়েছেন। আমরা তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছি।’