মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুর্বণ জয়ন্তী উপলক্ষে গোপালগঞ্জে প্রথমবারের মত চলছে দুই দিনব্যাপী শাস্ত্রীয় সঙ্গীত উৎসব।
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন এ শাস্ত্রীয় সঙ্গীত উৎসবের আয়োজন করে। এই আয়োজনে দেশের খ্যাতিমান শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করছেন।
শনিবার (২৯ জানুয়ারি) রাতে এ উৎসব শেষ হবে।
শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে স্থানীয় শেখ ফজলুল হক মনি অডিটোরিয়ামে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ লুৎফর রহমান বাচ্চু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইলিয়াস রহমান উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার শাস্ত্রীয় সঙ্গীত উৎসবে টিংকু শীল ও অভিজিৎ কুন্ডু (সঙ্গীত-ধ্রুপদ), শিউলী ভাট্টাচার্যী (যন্ত্র সঙ্গীত-বেহেলা), সাইফুল তানাকার (সঙ্গীত-খেয়াল), বিশ্বজিৎ কুমার নট্ট (যন্ত্রসঙ্গীত-তবলায় লহড়া), মৃত্যুঞ্জয় দাস (যন্ত্রসঙ্গীত-বাঁশি) ও ড. ঋতুর্পণা চক্রবর্তী (সঙ্গীত-ধ্রুপদ) পরিবেশন করেন।
শনিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত প্রশান্ত ভৌমিক (যন্ত্রসঙ্গীত-তবলায় লহড়া), সুপ্রিয়া দাশ (সঙ্গীত-খেয়াল), নাসির উদ্দীন (যন্ত্রসঙ্গীত-সারগীট), লতিফুন জুলিও (সঙ্গীত-খেয়াল), নিশিত দে (যন্ত্রসঙ্গীত-সেতার), অসিত কুমার দে (সঙ্গীত-খেয়াল) ও প্রশান্ত কুমার দাস (যন্ত্রসঙ্গীত-তবলা) পরিবেশন করবেন।
শাস্ত্রীয় সঙ্গীত দেখতে আসা সাবেত আহমেদ বলেন, এবারই প্রথম শাস্ত্রীয় সঙ্গীত দেখতে আসলাম। এটি একটি নতুন অভিজ্ঞতা। সাংস্কৃতিক চর্চা এভাবে চলতে থাকলে আশা করি আমাদের জেলা থেকে এমন শিল্পী বের হয়ে আসবে।
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রবীন্দ্র নাথ অধিকারী বলেন, এমন উৎসব আমাদের জেলায় প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হলো। এখানে এসে গান শুনলাম। খুব ভাল লেগেছে। আশা করি এমন উৎসব প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হবে।
জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা বলেন, শাস্ত্রীয় সঙ্গীত হলো সঙ্গীতের মূল উৎস। আমাদের এখন সাংস্কৃতিক পরিবর্তন জরুরী। যে উদ্দেশ্যকে কেন্দ্র করে এ আয়োজন আশা করি সেই উদ্দেশ্য সফল হবে।