শেরপুরের সীমান্তবর্তী উপজেলা নালিতাবাড়ীর পাহাড়ি কোচপল্লী খলচান্দা গ্রামে যাওয়ার মিনি সেতুটি দুই বছর আগে বালুভর্তি ট্রাকের চাপে ভেঙে যায়। এরপর থেকে ভাঙা সেতুটিই হয়ে ওঠে তাদের জীবনের অনুষঙ্গ।
এই ভাঙা সেতু দিয়েই ভোগান্তি মেনে নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে কয়েকটি গ্রামের মানুষকে। যাতায়াতের এই দুর্ভোগ লাঘবে সেতু নির্মাণের কোনো দাবিই শুনছেন না কেউ।
জানা গেছে, নালিতাবাড়ী উপজেলার খলচান্দা কোচপাড়া গ্রাম, আন্দারুপাড়া, বুরুঙ্গা ও বারমারী এলাকায় যাতায়াতে সেতুটি নির্মিত হয়েছিলো প্রায় ১৭ বছর আগে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশনের অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ২০২০ সালে বালু বোঝাই একটি ট্রাক আসার সময় ওই সেতুর একাংশ ভেঙে গিয়ে দেবে যায়। সেই থেকে সংস্কারের অভাবে সেতুটি এখনো ভেঙে পড়ে আছে। যানবাহন চলাচলও বন্ধ রয়েছে।
গ্রামবাসী জানান সেতুটি দীর্ঘদিনেও সংস্কার না করায় কেউ হঠাৎ অসুস্থ হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিতেও ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
খলচান্দা গ্রামের পরিমল কোচ বলেন, এই সেতু দিয়ে কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত চলাচল করে। দুই বছর ধরে সেতুটি মেরামতে কোনো উদ্যোগ না থাকায় মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।
একই গ্রামের বাসিন্দা রঞ্জিত কোচ, পরমেশ্বর কোচ ও জুলফিকার আলী ভুট্টো জানান, গ্রামের মানুষ যদি অসুস্থ হয় তবে কষ্ট করে ভাঙা সেতু পার হতে হয়। কোনো ধরনের গাড়ি চলাচল করতে পারেনা। তাই ভাঙা সেতুটি অপসারণ করে নতুন একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানান তারা।
এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান বলেন, ভেঙে যাওয়া সেতুর বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ওই সেতুটির দরপত্র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।