আইন ও অপরাধ

তাসনীম-সামিসহ ৭ জনের বিচার শুরু

সামিউল ইসলাম খান ওরফে সায়ের জুলকারনাইন ওরফে সামিসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর ফলে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জগঠনের আদেশ দেন। একই সাথে আগামী ৭ এপ্রিল সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।

বিচার শুরু অপর আসামিরা হলেন- সুইডিশ-বাংলাদেশের সাংবাদিক নেত্র নিউজ সম্পাদিক তাসনীম খলিল, কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, ব্লগার আশিক মোহাম্মাদ ইমরান ও মো. ওয়াহিদুন্নবী, রাষ্ট্রচিন্তার মো. দিদারুল ইসলাম ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন।

এদের মধ্যে সামিউল ইসলাম খান, তাসনীম খলিল আশিক মোহাম্মাদ ইমরান ও মো. ওয়াহিদুন্নবী মামলার শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর জামিনে ছিলেন। তবে এদিন তিনি আদালতে হাজির হননি। আদালত তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

দিদারুল আলম ও মিনহাজ মান্নান জামিনে থেকে আদালতে হাজির হন। তাদের পক্ষে আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সাত আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠনের প্রার্থনা করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের আদেশ দেন। এ সময় দিদারুল আলম ও মিনহাজ মান্নান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।

২০২০ সালের ৫ মে র‌্যাব-৩ এর ওয়ারেন্ট অফিসার মো. আবু বকর সিদ্দিক রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। গত বছর ১০ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) উপ-পরিদর্শক (এসআই) আফছর আহমেদ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এ মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন।