ইউক্রেনে অন্যায়ভাবে আগ্রাসনে রাশিয়াকে একঘরে করে ফেলছে ইউরোপিয়ান দেশগুলো। সব ধরনের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে অনেকে। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনেও রুশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠ শোনা যাচ্ছে। ফিফাও নিয়েছে পদক্ষেপ। রাশিয়াকে তাদের পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত ছাড়াই নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলার আদেশ দিয়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা।
রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রকাশ করে ফিফা বলেছে, এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ায় হবে না কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ। যে কোনো ম্যাচে দেশটির পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত নিষিদ্ধ থাকবে। তাছাড়া জাতীয় দল রাশিয়া নাম ধারণ করে কোনো খেলায় অংশ নিতে পারবে না। ফুটবল ইউনিয়ন অব রাশিয়া (আরএফইউ) নামে তারা খেলতে পারবে এবং কোনো ‘হোম’ ম্যাচেই থাকতে পারবে না দর্শক, যে খেলা হবে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে।
ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ‘অবিলম্বে এই প্রথম ব্যবস্থা’ নিয়েছে ফিফা। কিন্তু ইউরোপিয়ান দেশগুলো এই শাস্তিকে যথেষ্ট মনে করছে না। তারা সমালোচনা করেছে।
পোলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান সিজারি কুলেসেজা ফিফার এই অবস্থানের সমালোচনা করেছেন এবং বিশ্বকাপ থেকে রাশিয়াকে নির্বাসিত করার দাবি জানিয়েছেন, ‘আজকের ফিফার এই সিদ্ধান্ত একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। আমরা এই ম্যাচগুলোতে অংশ নিতে আগ্রহী নই। আমাদের অবস্থান আগের মতোই: পোলিশ জাতীয় দল রাশিয়ার সঙ্গে খেলবে না, তা রাশিয়া যে নামেই খেলুক না কেন।’
আগামী ২৪ মার্চ মস্কোতে খেলার কথা ছিল পোল্যান্ডের। এই ম্যাচ জয়ী ২৯ মার্চ খেলবে চেক রিপাবলিক ও সুইডেনের ম্যাচজয়ীর সঙ্গে।
চেক রিপাবলিক ও সুইডেনও রাশিয়ানদের বিরুদ্ধে না খেলার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। ফিফার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন সুইডিশ ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট কার্ল-এরিক নিলসন। আরো তীব্র শাস্তির দাবি জানান তিনি।
নভেম্বর-ডিসেম্বরে হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপের ড্র হবে ১ এপ্রিল।