সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে দলবেঁধে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের মামলায় অভিযোগপত্র গঠন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দুই মামলার বিচারকাজ একই আদালতে শুরু হলো।
বুধবার (১১ মে) দুপুরে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহিতুল হকের আদালতে পুলিশের দায়ের করা মামলার অভিযোগ গঠন করেন।
এ সময় আট আসামির সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী (পিপি) রাশিদা সাইদা খানম জানান, ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি ভুক্তভোগীর নারীর স্বামীর দায়ের করা ধর্ষণ মামলার অভিযোগ গঠন করা হয় আদালতে। কিন্তু পুলিশের দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলাটির অভিযোগ গঠন করা হয়নি। পরে হাইকোর্ট দুটি মামলা একসঙ্গে পরিচালনার জন্য ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে ট্রাইবুনালকে নির্দেশনা দেন। এরপর বুধবার আলোচিত এ দুটি মামলার বিচারকাজ একই আদালতে শুরু হলো। এর আগে ধর্ষণ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়নি।
রাশিদা জানান, এখন দুই মামলারই সাক্ষ্যগ্রহণ একসঙ্গে হবে। তবে সাক্ষ্যগ্রহণ কবে শুরু হবে এ বিষয়ে তাৎক্ষনিক আদেশ দেননি বিচারক।
২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিলেট নগরীর টিলাগড় এলাকায় অবস্থিত এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে যান গৃহবধূ। এ সময় কয়েকজন যুবক ক্যাম্পাস থেকে তুলে ওই গৃহবধূকে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার পরদিন সকালে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে এবং ছয়জনের নাম উল্লেখ ও নাম না জানা আরো ২-৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
২০২০ সালের ৩ ডিসেম্বর ৮ জনকে আসামি করে দুটি মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ৮ আসামির সবাই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেন।