জাতীয় দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোকে টি-টোয়েন্টির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ২০২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত টেস্ট ও ওয়ানডের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটেও নজর দেবেন।
২০২৩-২০২৭ পর্যন্ত এফটিপিতে ১৫০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ পেয়েছে বাংলাদেশ। এর বাইরে আইসিসি ইভেন্ট, মহাদেশীয় টুর্নামেন্ট তো আছেই। ব্যস্ত এফটিপির কারণে বিসিবি কোচিং স্টাফদের পৃথক করার পরিকল্পনা নিয়েছে। সেজন্য ডমিঙ্গোকে টি-টোয়েন্টির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে।
বিসিবির এমন পরিকল্পনায় খুশি ডমিঙ্গোও। খোলামনে গণমাধ্যমে দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ বলেছেন, ‘আমার পরিকল্পনা মনে ধরেছে। আমি মনে করি, এটা আমাকে টেস্টে এবং পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেটে আরও মনোযোগী করে তুলবে। টি-টোয়েন্টিতে আমাদের কিছু ভালো ফল আছে। আবার কিছু খারাপ ফলও আছে। আমি মনে করি এটা খুব ভালো দিক যে আমরা নতুন করে আবার টি-টোয়েন্টির যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বললেন, ‘আমি খুব খোলা মনের। এটা শুধু আমার একার দল নয়। কিংবা আমাকে নিয়েই সব, এমন কিছু নয়। যেভাবে দলের উন্নতি সম্ভব বলে নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন সেভাবেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমি তাদের সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছি। এটা আমাকে আরও সুযোগ দিচ্ছে ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করার, পঞ্চাশ ওভারের বিশ্বকাপ সামনে আসছে। আমাদের টেস্ট ক্রিকেটেও অনেক কাজ বাকি।’
দায়িত্ব কমায় পরিবারকে সময় দিতে পারবেন ভেবে খুশি ডমিঙ্গো, ‘পাশাপাশি আমাদের পরিবার নিয়েও কিছুটা সময় কাটাতে পারবো। গত বছরের জানুয়ারি থেকে এই বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত মাত্র পাঁচ সপ্তাহ পরিবারকে সময় দিতে পেরেছি। সামনে আমরা আরও সতেজ হয়ে আসতে পারব। আমার কাছে পরিবারটাও গুরুত্বপূর্ণ।’
ডমিঙ্গোর টি-টোয়েন্টি দর্শন ও কোচিং বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে যায় না বলে তাকে সরানো হয়েছে, এমন কথাও বলেছেন টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ। তার এমন ভাবনায় কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি ডমিঙ্গো, ‘প্রত্যেকের ভিন্ন ভিন্ন মত থাকবে। আমি জানি আমার দর্শন কী, আমি জানি আমার কোচিং পদ্ধতি কী। আমার সেসব বিষয়ে মন্তব্য করার কিছু নেই। আমি গণমাধ্যম খুব একটা অনুসরণ করি না। এজন্য এ বিষয়ে বলার কিছু নেই।’