ক্যাম্পাস

পবিপ্রবিতে সংঘর্ষের ঘটনায় ৫০ জনকে আসামি করে মামলা

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় রোববার (২৫ ডিসেম্বর) অজ্ঞাতনামা পঞ্চাশ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। পবিপ্রবি’র সহকারী নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. মুকিত মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন। 

বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইন ১৮৬০ এর ১৪৩, ৩২৩ ও ৩২৫ ধারায় তথা বেআইনি জনতাবদ্ধে মারধর করে গুরুতর জখম করার অভিযোগে অভিযুক্ত করে এ মামলাটি দায়ের করা হয়। এছাড়াও ঘটনা তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২১ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিম গেটে পরিবহন শাখার সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ও কতিপয় ৪০/৫০ জন স্থানীয় শিক্ষার্থীদের বাকবিতন্ডা হয়। বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বহিরাগত দুষ্কৃতিদের সঙ্গে নিয়ে লাঠি, লোহার রড ও ইট পাটকেল নিয়ে অতর্কিত হামলা করে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. মেহেদী ইসলাম (সেশন ২০১৬-১৭), মো. জাহিদ হাসান (সেশন ২০১৭-১৮), রাকিবুল হাসান রায়হান (সেশন ২০১৭-১৮), সোহেল রানা (সেশন ২০১৮-১৯), আরিফ আল মাহমুদ (সেশন ২০১৭-১৮), অলিউল ইসলাম নাবিল (সেশন ২০১৬-১৭), সৈয়দ হাসান ইকবাল (সেশন ২০১৬-১৭), এনামুল জাহান ইফতি (সেশন ২০১৭-১৮), জাহাঙ্গীর আলম (সেশন ২০১৮-১৯), ইমরান (সেশন ২০১৮-১৯) সহ অনেক ছাত্র গুরুতর জখম হয়।

ঘটনার সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন- ১. প্রফেসর ড. সন্তোষ কুমার বসু (৪৮) প্রক্টর, ২. শাহ মাহমুদ সুমন (৩০) সহকারী প্রক্টর, ৩. মো. আশরাফুল আলম (৪০) সহকারী প্রক্টর, ৪. সৌদবিন আলম (৩৫) সহকারী প্রভোস্ট ডি-১ শের-ই-বাংলা হল-১, ৫. মো. ফয়সাল (৩৫) সহকারী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা, ৬. আব্দুল্লাহ আল হাসান সহকারী প্রক্টর, ৭. নিউট সাহা (৩৫) সহকারী প্রভোস্ট ডি-১ শের-ই বাংলা হল। সর্ব কর্মস্থল- পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, থানা- দুমকি, জেলা-পটুয়াখালী সহ আরো অনেক সাক্ষী আছেন।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নবগঠিত কমিটির জন্য আয়োজিত আনন্দ মিছিল ও পথসভায় এ বিবাদের সূত্রপাত ঘটে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ফটকে দুটি পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।