খেলাধুলা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং গেয়েছেন শন পল ও কেস

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি মাত্র ৫০ দিন। যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে বসছে এবারের টি-টোয়েন্টির মহাযজ্ঞ। আয়োজকরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন অনেক আগে থেকে। 

মেগা এই আসরের জন্য তৈরি করা হয়েছে অফিসিয়াল থিম সং। বিশ্বকাপের থিম সং গেয়েছেন দুই সুপারস্টার শন পল ও কেস। গ্র্যামি পুরস্কার জেতা শন পল এবং সকা সুপারস্টার কেস একত্রে গেয়েছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং। গানটি প্রযোজনা করেছে ত্যানো মন্টানো। ভিডিও চিত্রও প্রকাশ করবে আইসিসি। এতে থাকবেন কয়েকজন সুপারস্টার। 

শন পল দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সঙ্গীত নিয়ে কাজ করছেন এবং আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক প্রশংসিত তিনি। এবারের বিশ্বকাপের থিম সংয়ে ক্যারিবিয়ান সঙ্গীতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শন পল বলেছেন, ‘ক্রিকেট সব সময়ই আমাদের সংস্কৃতির প্রধান অংশ। তাই, আমি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং রেকর্ড করতে পেরে সম্মানিত। আমি কেসের বড় ভক্ত। ক্যারিবিয়ান কিছু নাচের সঙ্গে তাদের সংস্কৃতির চমৎকার মেলবন্ধন হবে এই গানে। গানটি মানুষের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের সংযোগ স্থাপনের জন্য আদর্শ হয়ে থাকবে।’ 

কিস ডাইফেনথালার বিশ্বে কেস নামে পরিচিত। তিনি ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর কেস দ্য ব্যান্ডের প্রধান গায়ক। বিশ্বকাপের থিম সংয়ের অংশ হতে পেরে কেসও গর্বিত। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সবার লক্ষ্য বিশ্বকে একত্রিত করা। তাই, ক্রিকেটকে আমরা গানের সুরে সুর বেঁধেছি, যা খুবই শক্তিশালী এক মাধ্যম। শন পল এবং ত্যানো অসাধারণ সৃষ্টি করেছেন। আশা করছি, বিশ্বব্যাপী সবাই এই গানটি গাইবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রের সকলের মুখে এই গানটি শোনার জন্য আমার তর সইছে না।’

আইসিসির বিপণন ও যোগাযোগ বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার ক্লেয়ার ফারলং বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বের দুই অন্যতম সুপারস্টার শন পল ও কেসকে পেয়ে আনন্দিত। আমরা বিশ্বাস করি, ক্রিকেট উৎসবের সঙ্গে গানের যুগলবন্দি রয়েছে। এবারও সমর্থকরা এমন একটি গান আশা করতে পারেন, যা ক্যারিবিয়ান পরিচয়কে প্রতিফলিত করবে।’

আইসিসি কিছুদিন পর সারা বিশ্বে একযোগে এই থিম সং প্রকাশ করা হবে। জুনের ১ তারিখ থেকে শুরু হবে চার-ছক্কার ধুন্ধুমার আসর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-২০২৪। এবারই প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের হতে যাচ্ছে মেগা এই ইভেন্ট। যেখানে প্রথমবার অংশ নেবে ২০টি দল। পাঁচটি গ্রুপে ভাগ করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। ২৯ দিনে দুই দেশের ৯ শহরে মোট ৫৫টি ম্যাচ হবে।