অর্থনীতি

স্থানীয় সরকার ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ২ প্রকল্পে অনুমোদন

স্থানীয় সরকার বিভাগের ‘সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ওয়াটার পাম্পিং স্টেশন এবং পাইপলাইন স্থাপন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কমিউনিটি ওয়ার্কফেয়ার এবং সার্ভিসেস সাপোর্ট, নন-কনসাল্টিং সার্ভিস ক্রয় সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। এতে মোট ব্যয় হবে ৫৪৭৩ কোটি ৫৮ লাখ ৬৪ হাজার ৪২১ টাকা।

বুধবার (৫ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় প্রস্তাব দুটিতে অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় কমিটির সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্রে জানা যায়, সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ‘র’ ওয়াটার পাম্পিং স্টেশন এবং ‘র’ ওয়াটার পাইপলাইন স্থাপনে পূর্ত কাজ ক্রয়ের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত ৩টি প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে বিড ডক্যুমেন্ট ইস্যু করা হয়। দর প্রস্তাবের সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশকৃত রেসপনসিভ দরদাতা প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে চায়না মেশিন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন, কুজু টপলু কোনাট এ.এস এবং ইয়োলো রিভার ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালট্যান্ট কোম্পানি লি. প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এতে মোট ব্যয় হবে ৫ হাজার ৩৩ কোটি ৫৮ লাখ ৬৪ হাজার ৪২১ টাকা।

সভায় আইএসও কম্পোনেন্ট-৬ বিল্ডিং কমিউনিটি রেসিলিয়েন্স অ্যান্ড সেলফ-রিলায়েন্সের আওতায় কমিউনিটি ওয়ার্কফেয়ার অ্যান্ড সার্ভিসেস সাপোর্ট, নন কনসাল্টিং সার্ভিস-১ ক্রয় প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। প্রকল্পের জন্য সিঙ্গেল সোর্স সিলেকশন পদ্ধতিতে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বরাবর আরএফপি আহ্বান করা হলে প্রস্তাব দাখিল করে। পিইসি কর্তৃক প্রস্তাবটি উপযুক্ত বিবেচেনা করা হয়। পরবর্তীতে পিইসি কর্তৃক নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে সুপারিশকৃত উপযুক্ত দরদাতা প্রতিষ্ঠান বিশ্ব খাদ্য সংস্থাকে ৪৪০ কোটি টাকায় প্রকল্পের নির্ধারিত কার্যক্রম বাস্তবায়নে ক্রয় প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে কমিটি তাতে অনুমোদন দিয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় প্রতিমাসে অতি দরিদ্র ৩ লাখ ৯০ হাজার জন রোহিঙ্গাকে খাদ্য সহায়তা প্রদান, প্রতিমাসে ৯৫,৯৪৪ জন রোহিঙ্গা মহিলাকে পুষ্টি বিষয়ক শিক্ষাপ্রদান, ১৪,৫০০ জন রোহিঙ্গা পরিবারকে সবজি বাগান তৈরিতে সহায়তা প্রদান এবং সমাজবিরোধী কাজে লিপ্ত না হওয়ার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করবে। প্রকল্প দলিলে বিশ্ব খাদ্য সংস্থাকে একক উৎসভিত্তিক নিয়োগের কথা বলা আছে।