শরীয়তপুর–১ (পালং–জাজিরা) সংসদীয় আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই শেষে ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন—বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ড. মোশাররফ হোসেন মাসুদ, এনসিপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. তোফায়েল আহমেদ, খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী জালালুদ্দিন আহমদ ও গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফিরোজ আহমেদ।
অপরদিকে তথ্যের গড়মিল ও নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ না করায় এদের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী নুর মোহাম্মদ মিয়া এবং দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ নজরুল ইসলাম রাসেল ও মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাই শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করার সুযোগ পাবেন। আপিল নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী নুর মোহাম্মদ মিয়া বলেন, “দাখিল করা মনোনয়নে আমি আমার একটি পুরাতন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তবে সচল ব্যাংক অ্যাকাউন্ট উল্লেখ করেছিলাম। এজন্য আমার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়েছে। তারা বলেছে মনোনয়নপত্রে উল্লেখ করা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সদ্য খোলা হতে হবে। তবে আমি প্রার্থীতা বৈধ করতে আপিল করব।”
স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্রে দাখিলের সাথে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর নিয়ে আসতে হয়। সেখানে একটি ভোটারের নামের সামনে স্বাক্ষর ছিলো না ও একটি ভোটারের ব্যত্যয় ছিলো বলে আমার মনোনয়নপত্রটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে আমি জমা দেয়া ভোটারের স্বাক্ষরে এক শতাংশের বেশিই জমা দিয়েছিলাম। তারা চাইলে বাড়তি ভোটারের থেকে যাচাই-বাছাই করতে পারতো। তবে আমি বিষয়টি নিয়ে আপিল করবো। আশা করছি আমি আমার প্রার্থিতা ফিরে পাব।”
এ ব্যাপারে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বলেন, “শরীয়তপুর ১ আসনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা চাইলে আগামী ৯ তারিখের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।”