সারা বাংলা

সেই জামালের ছেলেকে তারেক রহমান, ‘তিন ভাই একসাথে থাকবে’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সমাবেশে নোয়াখালী থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে দলটির স্থানীয় একজন নেতা চিকিৎসাধীন ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক বিএসএমএমইউ)।

তার মৃত্যুর খবর শুনে ফোন করে পরিবারটির খোঁজ-খবর নেওয়ার পাশাপাশি জামাল উদ্দিনের বড় ছেলেকে পরামর্শ দেন তারেক রহমান, বলেন, “তিন ভাই একসাথে থাকবে,নিশ্চয়ই তোমাদেন বাবা এটাই দেখতে চেয়েছেন।”

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে মারা যান বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন।

সেই খবর পেয়ে তার বড় ছেলেকে ফোন দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি জামাল উদ্দিনের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

ঢাকায় তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় জামাল উদ্দিনের আহত হওয়ার খবর শুনে তারেক রহমান তাৎক্ষণিকভাবে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সে অনুযায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

জামাল উদ্দিনের ছেলের সঙ্গে ফোনালাপে তারেক রহমান বলেন, সময় করে তাদের দেখতে যাবেন।

আলাপকালে তারেক রহমান বলেন, “আমি তোমাদের কষ্টটা বুঝতে পারি, কারণ একই কষ্টের মধ্যে আমিও আছি। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এখন তাদের জন্য দোয়া করা। আমরা সবাই তাদের জন্য দোয়া করব। পরিবারের সকলের প্রতি খেয়াল রাখবে। ঝড়-বৃষ্টি-ঝঞ্ঝা যা-ই আসুক, তিন ভাই একসাথে থাকবে। নিশ্চয়ই তোমাদের বাবা এটাই দেখতে চেয়েছেন। আল্লাহ উনাকে বেহেস্ত নসিব করুন।”

জামাল উদ্দিন নোয়াখালী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি একই ওয়ার্ডের আরশাদ মিয়ার ছেলে। তিন ছেলে ও ১ মেয়ে রেখে গেছেন তিনি।

২৪ ডিসেম্বর গভীর রাতে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের বাগমারা বাজার এলাকায় নীলাচল পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের বিভাজনে উঠে যায়। এতে বিএনপি নেতা জামালসহ অন্তত ৩২ নেতাকর্মী আহত হন। সেই ঘটনায় জামাল উদ্দিনের মৃত্যু হলো।