হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার সন্দেহে এনামুল হাসান নয়ন নামে এক তরুণকে আটকের পর আন্দোলনের মুখে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় থাকার তথ্য-প্রমাণ পেয়ে নয়নকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মো. আবুল কালাম।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে শায়েস্তাগঞ্জ থানা থেকে মুক্তি পান নয়ন।
অবশ্য ইস্যুটি নিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা। এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন সেখানে থাকা ছাত্রনেতারা।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাত ১২টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে নয়ককে আটক করে পুলিশ। তিনি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কলিমনগর গ্রামের আনোয়ার আলীর ছেলে। উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে তার নাম রয়েছে বলে দাবি পুলিশের।
নয়নকে বৃহস্পতিবার রাতে এসআই জহিরুল ইসলাম আটক করে থানায় নিয়ে যান। পরপরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের কর্মীরা তার মুক্তির দাবিতে থানায় জড়ো হতে থাকেন।
শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে সংগঠনের হবিগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানের নেতৃত্বে ছাত্র-জনতা থানার সামনে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। দুপুর আড়াইটার দিকে জেলা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। বেলা ৩টার দিকে নয়নকে মুক্তি দেওয়া হয়।
মাহদী হাসান বলেন, “ছাত্রলীগের কমিটিতে নাম থাকলেও স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে নয়ন সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। তাকে আটকের ঘটনায় আমরা মর্মাহত হয়েছি।”
শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মো. আবুল কালাম বলেন, ছাত্রলীগের কমিটিতে নাম থাকায় নয়নকে আটক করা হয়েছিল। তবে আন্দোলনে অংশগ্রহণের বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ পাওয়ায় পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তার অজ্ঞাতে ছাত্রলীগের কমিটিতে নাম ঢুকানো হয় বলে নয়নের দাবি।