জাতীয়

নির্বাচনি পোলিং এজেন্ট সংক্রান্ত পরিপত্র জারি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনি এজেন্ট ও পোলিং এজেন্ট নিয়োগ, তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য এবং নির্বাচনসংক্রান্ত আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করতে পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ইসি সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা থেকে উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এ পরিপত্র জারি করা হয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে বৈঠক আয়োজন করতে হবে। এসব বৈঠকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের নির্বাচনি এজেন্ট ও পোলিং এজেন্টদের জন্য সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী করণীয় ও দায়িত্বকর্তব্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে।

এছাড়া নির্বাচনি ব্যয়ের সম্ভাব্য অর্থের উৎস, ব্যয়ের হিসাব যথাসময়ে দাখিল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ভীতি প্রদর্শন, বলপ্রয়োগ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যের ব্যবহার রোধে সর্বাত্মক সহযোগিতার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

নির্বাচনি এজেন্ট নিয়োগ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ২১(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের মধ্য থেকে একজনকে তার নির্বাচনি এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে নিয়োগসংক্রান্ত লিখিত নোটিশ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। নোটিশে নির্বাচনি এজেন্টের নাম, পিতার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও ঠিকানা উল্লেখ থাকতে হবে।

পোলিং এজেন্ট নিয়োগ একই আইনের ২২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিটি ভোটকক্ষের জন্য ভোটগ্রহণের আগে একজন করে পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দিতে পারবেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার নির্বাচনি এজেন্ট। এ নিয়োগের লিখিত নোটিশ সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে পাঠাতে হবে।

প্রিসাইডিং অফিসার তখনই কোনো পোলিং এজেন্টকে গ্রহণ করবেন, যখন তিনি নিযুক্তকারী ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নামসংবলিত নিয়োগপত্র প্রদর্শন করবেন। একটি ভোটকক্ষের জন্য একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ একজন পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দিতে পারবেন।