৩৬ বছরের অপেক্ষা, নিন্দুকের বুলি ও চার ফাইনাল হারের আক্ষেপ নিয়ে এক সোনালি ট্রফি জয়ের স্বপ্ন নিয়ে চার বছর আগে কাতারে পাড়ি জমিয়েছিল আলবিসেলেস্তেরা। ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর লুসাইল স্টেডিয়াম খালি হাতে ফেরায়নি তাদের।
সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসির হাতে শোভা পায় স্বপ্নের সোনালি ট্রফি। মেসি পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের ষোলোকলা। দেখতে দেখতে চার বছর পেরিয়ে গেল। ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বসতে যাচ্ছে ৪৮ দলের ফুটবল বিশ্বকাপ।
আটটি ব্যালন ডি’অর জেতা মেসি কি আরেকটি বিশ্বকাপ খেলবেন? আর্জেন্টিনার জার্সিতে তার ক্যারিয়ার শেষ নাকি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে মেসিকে দেখা যাবে। উত্তরটা কোটি কোটি আর্জেন্টিনাইন ভক্তদের।
সেই উত্তরটা দিতে পারবেন একজনই, লিওনেল স্কালোনি। যিনি আর্জেন্টিনাকে দিয়েছেন সাফল্যের মুকুট। যার হাত ধরে মেসি-মার্তিনেজরা পেয়েছেন আরাধ্য শিরোপা। সম্প্রতি রোসারিওতে দুজনের সাক্ষাৎ হয়েছে। একসঙ্গে কফি পান করেছেন। কিন্তু তাদের মধ্যে আলাপ হয়নি খেলাধুলা নিয়ে।
হ্যাঁ পাঠক ঠিকই পড়ছেন। মেসি ও স্কালোনির সাক্ষাৎ হয়েছে ঠিকই। কিন্তু বিশ্বকাপ নিয়ে কোনো আলাপ আলোচনা হয়নি। কেন হয়নি সেই উত্তরটা অজানা। তবে হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকায় দুজনই বিশ্বকাপ নিয়ে থেকেছেন চুপচাপ।
মেসির ভবিষ্যৎ, আর্জেন্টিনার জন্য দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা, বিশ্বকাপকে ঘিরে রণকৌশল সহ কতকত আলাপ হওয়ার কথা লিওনেল মেসি ও লিওনেল স্কালোনির। কিন্তু লম্বা সময় পর দুজনের সাক্ষাৎ ছিল কেবলই সৌহার্দ্য বিনিময়ের।
স্কালোনি বলেছেন, ‘‘লিও-র সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। আমরা কাছাকাছি অবস্থান করছিলাম। একসঙ্গে কফি পান করেছি।’’ বিশ্বকাপ নিয়ে কথা হয়েছে কি না জানাতে গিয়ে স্কালোনি বলেছেন, ‘‘আমরা বিশ্বকাপ নিয়ে কোনো কথা বলিনি। দেখা যাক, সামনে সময় আছে, এমনটাই বললো লিও। আমাদেরকে তার প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো উচিত এবং সে যা করতে চায় তা করতে দেয়া উচিত।’’
স্কালোনি মেসিকে নিয়ে বিশ্বকাপের স্কোয়াড সাজাচ্ছেন তা বোঝা গেল আরেক প্রশ্নের উত্তরে, ‘‘আমি তাকে সব সময়ই চাই। এটা তার সতীর্থদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাকে যারা খুব কাছ থেকে দেখেছে তারা জানে সহসাই রিল্যাক্স থাকতে পছন্দ করে না সে। সে জন্মগত প্রতিযোগী।’’