আমাদের সমাজে বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে নানা ট্যাবু আছে। কিন্তু সত্য হলো— আইনসম্মতভাবে যেকোনো দম্পতি যেকোনো বয়সেই বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কারও বিবাহবিচ্ছেদ হলেই আমরা জাজমেন্টাল মন্তব্য করতে শুরু করি। হয় পক্ষে বলি, নয়তো বিপক্ষে বলি। কিন্তু বিচ্ছেদ উৎসাহিত করার মতো কোনো বিষয় নয়। একথাও মানতে হবে যে কখনো কখনো বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিতেই হয়। বিবাহবিচ্ছেদের নানা কারণ থাকতে পারে।
নিয়মিত মনোমালিন্য ও অসম্মান দুই জনের ছোট-খাট বিষয় নিয়ে ঝগড়া স্বাভাবিক হলেও নিয়মিত তর্ক, গালি-গালাজ বা একে অপরকে অসম্মান দেখানো সংসারকে দুর্বল করে দিতে পারে।
ভুল বোঝাবুঝি খুব সাধারণ ভুল বোঝাবুঝিও পরস্পরের প্রতি অবিশ্বাস সৃষ্টি করে, যার ফলে বিবাহ ভাঙার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বিশ্বাসঘাতকতা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বা বিশ্বাসঘাতকতা সংসারকে দ্রুত ভেঙে দিতে পারে।
আসক্তি ও অস্থির আচরণ অ্যালকোহল, ড্রাগ বা অন্য কোন আসক্তি যার ফলে মেজাজ, দায়িত্ব ও আচরণ খারাপ হয়ে যায়, তা দাম্পত্য জীবনে বিরূপ প্রভাব ফেলে।
উচ্চাকাঙ্খা ও অস্থিতিশীল সম্পর্ক অর্থ-সামাজিক মর্যাদা বা ক্ষমতার মোহে অন্য সম্পর্ক খোঁজা সম্পর্ককে দুর্বল করে।
পারিবারিক চাপ পরিবারের অন্যান্য সদস্যের চাপ, কটাক্ষ বা বিরোধ দম্পতির সম্পর্ক ভেঙে দিতে পারে।
পারস্পরিক সহানুভূতির অভাব যখন একে অপরের অনুভূতি, চাহিদা বা কঠিন পরিস্থিতি বোঝা ও মানার ক্ষমতা নষ্ট হয়, তখন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।