রূপসা খেয়া ঘাট থেকে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে আটটার দিকে খুলনা জিলা স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র রাফির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রাফি রূপসা স্ট্যান্ড রোড ডা. আলতাফ আলী লেনের এড. শাহাজাহানের বাড়ির ভাড়াটিয়া মো. রফিক শেখের ছেলে।
এর আগে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) আছরের নামাজ পড়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। পরবর্তীতে সে আর বাসায় ফিরে যায়নি। ওইদিন বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে গিয়ে সে রূপসা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়। শুক্রবার থেকেই নদীতে খোঁজাখুঁজি করা হলেও তার সন্ধান মেলেনি।
স্থানীয়রা জানান, আজ সকাল ৭টার দিকে লবণচরা থানাধীন রেলব্রিজ এলাকার নদীর মাঝখানে একটি লাশ ভাসতে দেখে রাফির পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা ট্রলার নিয়ে নদীতে খোঁজ করতে বের হন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রূপসা খেয়াঘাট এলাকা থেকে রাফির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রাফির মামা আল আমিন বলেন, “শুক্রবার বিকেল থেকে সে নিখোঁজ ছিল। অনেক চেষ্টার পর আজ তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নৌ পুলিশকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে রাফির মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি তেরখাদায় নেওয়া হবে এবং সেখানে তাকে দাফন করা হবে।”
মরদেহ উদ্ধারের পর ৩০নং ওয়ার্ড কার্যালয়ের পাশে রাফির লাশ রাখা হয়। ছেলের মরদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা রফিকুল শেখ। তাকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে স্বজন ও স্থানীয়দের অনেকেই শোকাহত হয়ে পড়েন।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. রেজাউল শেখ বলেন, “ঘটনার দিন এশার নামাজের পর রাফি বাড়িতে না ফেরায় মাইকিং করা হয়। নদীপথে বটিয়াঘাটা পর্যন্ত তার সন্ধান চালানো হলেও কোথাও তার খোঁজ মেলেনি।”