বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান অভিযোগ করেছেন, “একটি রাজনৈতিক দল সারা দেশে দরিদ্র ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে।”
এর মাধ্যমে জাল ভোট ও নির্বাচন কারসাজির আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গঠিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, “পোস্টাল ব্যালট পেপারের নকশা যারা করেছেন, তারা নৈতিকভাবে অন্যায় করেছেন। এ বিষয়ে শুধু ক্ষোভ বা প্রতিবাদ নয়, সংশ্লিষ্টদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানায় বিএনপি।”
তিনি আরো বলেন, “বিদেশে পাঠানো পোস্টাল ব্যালট পেপারের প্রথম কলামে দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলির প্রতীক রাখা হয়েছে, আর বিএনপির নির্বাচনি প্রতীক ধানের শীষ মাঝখানে অবস্থান করছে। ব্যালট পেপার ভাঁজ করলে ধানের শীষের ওপর ভাঁজ পড়ে। এটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে করা হয়েছে। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানানো হলেও এখনো কোনো সংশোধনী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।” ভিডিও ফুটেজের কথা উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “বাহরাইনে একজন ব্যক্তিকে বিপুলসংখ্যক পোস্টাল ব্যালট নিয়ে কাজ করতে দেখা গেছে, যাকে স্থানীয় বাংলাদেশিরা জামায়াত নেতা বলে শনাক্ত করেছেন। আরেকটি ভিডিওতে জামায়াত নেতা হুয়ায়ুন কবিরকে একটি গাড়ির ওপর ব্যালট পেপার রেখে কাজ করতে দেখা যায়। ব্যালট পেপার গোপনীয় ও ব্যক্তিগত বিষয়, এভাবে প্রকাশ্যে কাজ করা বেআইনি।”
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আইন উপকমিটির প্রধান ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিনসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।