খেলাধুলা

রাহুলের সেঞ্চুরি বিফলে, ১৩১ করে নিউ জিল‌্যান্ডকে জেতালেন মিচেল

দুই দলের দুই মিডল অর্ডার ব‌্যাটসম‌্যান পেলেন সেঞ্চুরি। দুইজনেরই সেঞ্চুরি নম্বর এইট। সেঞ্চুরির পর দুজনই ইনিংস লম্বা করলেন। ইনিংস শেষে দুজনই অপরাজিত। কিন্তু ম‌্যাচ শেষে একজনের হাসি বিলীন। আরেক জনের মুখে চওড়া হাসি। তুলেছেন তৃপ্তির ঢেকুর।

ভারতের লোকেশ রাহুল বুধবার রাজকোটে ১১২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। তার সেঞ্চুরির ইনিংসে ভর করে ভারত আগে ব‌্যাটিং করতে নেমে ৭ উইকেটে ২৮৪ রান করে। জবাব দিতে নেমে ডার্ল মিচেল ১৩১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। তাতে নিউ জিল‌্যান্ড ১৫ বল আগে ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে। দলকে জিতিয়ে ডার্ল মিচেল হয়েছেন ম‌্যাচ জয়ের নায়ক।

এই জয়ে তিন ম‌্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ১-১ এ সমতা আনলো নিউ জিল‌্যান্ড। ১৮ জানুয়ারি ইনডোরে হবে সিরিজের ফয়সালা।

রাহুল ৯২ বলে ১১ চার ও ১ ছক্কায় ১১২ রান করেন। ভারতের হয়ে ফিফটি পেয়েছেন অধিনায়ক শুভমান গিল। ৫৩ বলে ৫৬ রান করেন তিনি। এছাড়া রোহিত ২৪, বিরাট ২৩, জাদেজা ২৭ এবং নীতিশ ২০ রান করেন। বাকিরা কেউ বিশের ঘরে যেতে পারেননি।

চার বছর পর ওয়ানডেতে ব‌্যাটসম‌্যানদের র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানে গিয়েছেন বিরাট। র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠার দিনে ২৯ বলে ২ চারে ২৩ রান করে ক্লার্কের বলে বোল্ড হন বিরাট। নিউ জিল‌্যান্ড পেসারের মধ‌্যে ক্লার্ক ৫৬ রানে ৩ উইকেট নেন।

জবাব দিতে নেমে ৪৬ রানে দুই ওপেনারকে হারায় কিউইরা। কনওয়ে ১৬ ও নিকোলস ১০ রান করেন। সেখান থেকে তৃতীয় উইকেটে উইল ইয়ংককে নিয়ে মিচেল ১৬২ রানের জুটি গড়েন। ইয়ং ফিফটির পর সেঞ্চুরির দিকেও এগিয়ে যান। কিন্তু ১৩ রানের আক্ষেপে পুড়তে হয় তাকে। ৮৭ রান করে কুলদ্বীপ যাদবের বলে আউট হন।

ভুল করেননি মিচেল। ১১ চার ও ২ ছক্কায় ১১৭ বলে ১৩১ রান করেন। তার সঙ্গে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন গ্লেন ফিলিপস।

ভারতের হয়ে হারশিত রানা, প্রসিঙ্ধ কৃষ্ঞা ও যাদব ১টি করে উইকেট নেন।