গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুউকে ১৫ সদস্যের একটি শক্তিশালী ফরাসি সামরিক দল পৌঁছেছে। কারণ বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় রাষ্ট্র পরিস্থিতি গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা নিশ্চিতের অংশ হিসেবে সেখানে সেনা পাঠাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি একাধিকবার গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দিয়েছেন। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য গ্রিনল্যান্ড দখল জরুরি।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, প্রাথমিক দলটিকে শিগগিরই ‘স্থল, আকাশ এবং সমুদ্র সম্পদ’ দিয়ে শক্তিশালী করা হবে।
তিনি বলেছেন, “গ্রিনল্যান্ডের প্রতি ইউরোপীয়দের একটি বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে কারণ এই অঞ্চলটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের এবং এটি আমাদের ন্যাটো মিত্রদের মধ্যে একটি।”
সিনিয়র কূটনীতিক অলিভিয়ার পোভরে ডি’আর্ভর এই অভিযানকে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংকেত হিসেবে দেখেছেন।
তিনি বলেছেন, “এটি একটি প্রথম মহড়া... আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দেখাবো যে ন্যাটো উপস্থিত রয়েছে।”
বুধবার ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাথে বৈঠকের জন্য ওয়াশিংটনে গিয়েছিলেন। বৈঠকের পর ডেনিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন বলেন, আলোচনা গঠনমূলক হলেও, উভয় পক্ষের মধ্যে একটি ‘মৌলিক মতবিরোধ’ রয়ে গেছে এবং পরে তিনি গ্রিনল্যান্ড কেনার ট্রাম্পের প্রচেষ্টার সমালোচনা করেন।
এদিকে, ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে আনার তার প্রচেষ্টাকে দ্বিগুণ করে ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।’