আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চমক দেখানোর লক্ষ্য নিয়ে বড় এক ‘তুরুপের তাস’ চালল জিম্বাবুয়ে। কিংবদন্তি ক্যারিবিয়ান পেসার কোর্টনি ওয়ালশকে দলের বোলিং কনসালট্যান্ট হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড (জেডসি)। টেস্ট ইতিহাসের প্রথম ৫০০ উইকেটের মালিক ওয়ালশের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করেই বিশ্বমঞ্চে ঘুরে দাঁড়াতে চায় আফ্রিকার দেশটি।
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, ওয়ালশ ইতোমধ্যে দলের সঙ্গে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। বিশেষ করে মুজারাবানি, রিচার্ড এনগারাভা এবং টিনোটেন্ডা মাপোসার মতো প্রতিভাবান পেসারদের মেন্টর হিসেবে তাকে দেখা যাবে। ওয়ালশ মনে করছেন, জিম্বাবুয়ে দলের পেস ও স্পিনের সংমিশ্রণ তাকে দারুণভাবে মুগ্ধ করেছে।
দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি জানান, ‘‘আমি যদি দলের সম্ভাবনাকে ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারি এবং পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে পারি, তবে আমাদের বড় কিছুর ভালো সুযোগ রয়েছে।’’
বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রেমীদের কাছে কোর্টনি ওয়ালশ অত্যন্ত সুপরিচিত। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বোলিং কোচ হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তী সময়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারী দলের হেড কোচ এবং জিম্বাবুয়ে নারী দলের টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট হিসেবেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। এবার সিকান্দার রাজার নেতৃত্বাধীন পুরুষ দলকে বিশ্বমঞ্চের লড়াইয়ে প্রস্তুত করবেন এই পেস কিংবদন্তি।
জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিভমোর মাকোনি এই নিয়োগের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘বিশ্বমঞ্চে জিততে হলে কী প্রয়োজন, তা ওয়ালশ খুব ভালো বোঝেন। তার পেশাদারিত্ব এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে ইতিবাচক মানসিকতা তৈরির ক্ষমতা আমাদের বোলিং ইউনিটকে আরও ধারালো করে তুলবে।’’
২০২৪ সালের বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে না পারা জিম্বাবুয়ে এবার ফিরছে বড় স্বপ্ন নিয়ে। গ্রুপ ‘বি’-তে তারা লড়াই করবে অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড, ওমান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
জিম্বাবুয়ের গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে শ্রীলঙ্কায়। কলোম্বো ও পাল্লেকেলের তিনটি ভিন্ন ভেন্যুতে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিতে হবে সিকান্দার রাজাদের।
এক নজরে জিম্বাবুয়ের বোলিং শক্তি: পেস: ব্লেসিং মুজারাবানি, রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্স। স্পিন: গ্রায়েম ক্রেমার, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা এবং অধিনায়ক সিকান্দার রাজা।