বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ছবি আঁকা প্রতিযোগিতা ২০২৫’-এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ১৪৩ শিক্ষার্থীকে।
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ হাজার ৮৭১ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) নবরাত্রি হলে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার তুলে দেন সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াশা সোবহান। মোট তিনটি ক্যাটাগরিতে ৩০ লাখ টাকার ১৪৩টি ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
ক্যাটাগরি ও বিজয়ীরা: ক্যাটাগরি ১ (তৃতীয়–ষষ্ঠ শ্রেণি): প্রথম আরাত্রিকা বড়াল, দ্বিতীয় রাইছা ইসলাম জেছি, তৃতীয় সৌভিক সাহা, চতুর্থ মাহরিন ইসলাম, পঞ্চম সাবা ইসলাম।
ক্যাটাগরি ২ (সপ্তম–দশম শ্রেণি): প্রথম সুপ্রভা সাহা, দ্বিতীয় মো. ইমরুল কায়েস রাফসান, তৃতীয় নাদিদ বিনোদপুর, চতুর্থ মাহিরুল বিনতে হক, পঞ্চম জয়িতা দে।
বিশেষ ক্যাটাগরি (বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন): বিশেষ পুরস্কার মায়াস রাসদান।
প্রতিযোগিতার প্রথম পুরস্কার ছিল ৩ লাখ টাকা, দ্বিতীয় ২ লাখ, তৃতীয় ১ লাখ, চতুর্থ ৭০ হাজার এবং পঞ্চম ৫০ হাজার টাকা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চিত্রশিল্পী ড. ফরিদা জামান, কথাসাহিত্যিক এমদাদুল হক মিলন, এবং বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আনিছুর রহমান।
জুরিবোর্ডে ছিলেন লোকজ শিল্পের রূপকার আবদুস শাকুর শাহ, একুশে পদকপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী ও অধ্যাপক ড. ফরিদা জামান, একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনেতা ও চিত্রশিল্পী আফজাল হোসেন, এবং বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রচ্ছদশিল্পী ধ্রুব এষ।
এই প্রতিযোগিতা স্কুল পর্যায়ে সর্ববৃহৎ চিত্রাঙ্কন আয়োজন হিসেবে পরিচিত। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৯ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এতে নিবন্ধন করেন এবং একসাথে বসে চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে দেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক অধ্যায়—১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান তুলে ধরেন।