ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম। আদালতে দলীয় প্রভাব বিস্তার করে শাকসু নির্বাচন স্থগিত করাকে তিনি আওয়ামী ফ্যাসিবাদী চরিত্রের পুনঃমঞ্চায়ন বলে মন্তব্য করেছেন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) হাইকোর্ট চার সপ্তাহের জন্য শাকসু নির্বাচন স্থগিত করার পর ফেসবুক স্ট্যাটাসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাদিক কায়েম।
ফেসবুকে তিনি বলেন, “ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক যাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি রাজনৈতিক দল নিজেদের ভবিষ্যৎ ফ্যাসিবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে।”
ঢাকসুর ভিপি আরো বলেন, “সকল রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত আদালত এবং গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস বিনির্মাণের স্বার্থে শাকসু নির্বাচন যথাসময়েই হতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে ছাত্রসমাজ কোনোভাবেই তা মেনে নেবে না।”
একই দিনে ফেসবুক স্ট্যাটাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) আলোচিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ লিখেছেন “হাইকোর্ট রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের মুখে শাকসু নির্বাচন স্থগিতের মতো ন্যায়ভ্রষ্ট রায় দিতে বাধ্য হয়েছে।”
স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্ব ও তত্ত্বাবধানে দায়ের করা একটি রিট এবং নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ক্রমাগত অবস্থান কর্মসূচি ও হুমকি-ধমকি এটাই প্রমাণ করে, পেশিশক্তির চাপ ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের মুখে শাকসু নির্বাচন স্থগিতের মতো ন্যায়ভ্রষ্ট রায় দিতে বাধ্য হয়েছে হাইকোর্ট। রাজনৈতিক চাপ, হুমকি কিংবা পেশিশক্তির কাছে নতি স্বীকার করে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোকে কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার সুযোগ নেই। হাইকোর্টের প্রতি আহ্বান জানাব, অবিলম্বে এই অন্যায্য ও ন্যায়ভ্রষ্ট রায় বাতিল করে যথাসময়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ করে দিন।