বিনোদন

জাভেদ ভাই সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন: জায়েদ খান

কিংবদন্তি অভিনেতা ও বিশিষ্ট নৃত্য পরিচালক ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে চলচ্চিত্রাঙ্গনে। প্রিয় এই শিল্পীর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট অনেকেই।  

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও অভিনেতা জায়েদ খান দূর দেশ থেকে শোক প্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট দিয়েছেন। তাতে জায়েদ খান লেখেন, “বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক জাভেদ ভাই আজ সকালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি অনেক দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন।” 

জাভেদের কাজের কথা স্মরণ করে জায়েদ খান লেখেন, “নিশান’ সিনেমায় দুর্দান্ত অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছিলেন এবং আরো অনেক সুপারহিট সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। আল্লাহ তার সমস্ত গুনাহ মাফ করে জান্নাত দান করুন, আমিন।” 

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরা এলাকার নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ইলিয়াস জাভেদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ক্যানসার ও হৃদরোগে ভুগছিলেন।  

ষাটের দশকে নৃত্য পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন ইলিয়াস জাভেদ। কায়সার পাশা পরিচালিত উর্দু ভাষার সিনেমা ‘মালান’–এ প্রথম নৃত্য পরিচালনা করেন তিনি। ১৯৬৪ সালে উর্দু চলচ্চিত্র ‘নয়া জিন্দেগি’দিয়ে নায়ক হিসেবে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ সিনেমায় শাবানার বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। পরবর্তীতে প্রায় দুই শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেন ইলিয়াস জাভেদ। 

বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ইলিয়াস জাভেদের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টরা। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে—মালকা বানু, অনেক দিন আগে, শাহজাদী, নিশান, রাজকুমারী চন্দ্রভান, কাজল রেখা, সাহেব বিবি গোলাম, নরম গরম, তিন বাহাদুর, চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা, চোরের রাজা, জালিম রাজকন্যা প্রভৃতি।