নিয়মিত রান পাচ্ছিলেন না তানজিদ হাসান। নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন বেশিরভাগ সময়ই। আক্ষেপের সুরে নিজেই বলেছিলেন, ‘‘ভালো হচ্ছে না পারফরম্যান্স।’’
তবুও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিশ্বাস ছিল, তাদের সরাসরি সাইন করা খেলোয়াড় জ্বলে উঠবেন। তানজিদ সেই আস্থার প্রতিদান, বিশ্বাসের মান রাখলেন টুর্নামেন্টের ফাইনালের দিন। সবচেয়ে ভালো, সবচেয়ে কার্যকরী ইনিংসটি বিপিএলের ফাইনালেই খেললেন তিনি। মনে হচ্ছিল, সেরা পারফরম্যান্সটা যেন ফাইনালের জন্যই জমিয়ে রেখেছিলেন তানজিদ।
৬২ বলে ৬ চার ও ৭ ছক্কায় ১০০ রান করেন তিনি। তার সেঞ্চুরির ইনিংসে ভর করে রাজশাহী চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দিয়েছে।
বিপিএলে তানজিদের এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি। ২০২৪ সালে প্রথম সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের জার্সিতে। খুলনার বিপক্ষে করেছিলেন ১১৬ রান। গত আসরে ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে ১০৮ রান করেছিলেন রাজশাহীর বিপক্ষে। এবার রাজশাহীর জার্সিতে কাটায়-কাটায় একশ করলেন তানজিদ।
বিপিএলে তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে তানজিদ সেঞ্চুরি করলেন। এর আগে ক্রিস গেইল ও তামিম ইকবাল বিপিএল ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিল। দুজনই সেঞ্চুরি করেছিলেন ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে পৃথক দুই আসরে।
সেঞ্চুরি পেতে ভাগ্যকেও পাশে পেয়েছিলেন তিনি। দুইবার জীবন পেয়েছিলেন। প্রথমে মুকিদুল ইসলাম ৫৪ রানে তার ক্যাচ ছাড়েন ডিপ ফাইন লেগে। পরে ৮৮ রানে ডিপ পয়েন্টে তার ক্যাচ ছাড়েন মাহেদী।
গেইল ও তামিম সেঞ্চুরি করে দলকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন। তানজিদ আজ বিজয়ীর দলে থাকেন কিনা সেটাই দেখার।