বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “দল ক্ষমতায় গেলে শিশুদের সঠিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরো বেশি যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে কাজ করা হবে।”
পড়ালেখাকে শিশুদের কাছে ‘ফান’ বা আনন্দদায়ক করে তুলতে শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার আনার কথাও জানান তিনি।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে অনুষ্ঠিত ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
তারেক রহমান বলেন, “পড়ালেখা সহজ ও আকর্ষণীয় করতে হবে, যাতে শিশুরা আগ্রহ নিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করে। শুধু একাডেমিক পড়াশোনা নয়, শিক্ষার সঙ্গে খেলাধুলা, আর্ট অ্যান্ড কালচার যুক্ত করা হবে। খেলাধুলাতেও পাস করার ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, “শিক্ষা ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজাতে চাই। এতে শিশুরা অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্রাউজিং থেকে দূরে থাকবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নিয়ে আলাদা টিম করে কাজ করা হবে।”
‘মব’ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, “শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই হবে না, শিক্ষকদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সামাজিক মূল্যবোধ ও নৈতিক শিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে।”
শিশুদের জন্য বিএনপির আলাদা পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বর্তমানে অনেক প্রকল্প থাকলেও সেগুলো সংগঠিত নয়।ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে এসব সুবিধা এক জায়গায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বিএনপির।”
দ্রব্যমূল্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, “জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদন বাড়াতে হবে।তবে উৎপাদক ও ভোক্তার মাঝখানে কেউ অনৈতিকভাবে লাভ করতে চাইলে তা প্রতিরোধ করতে হবে।”
পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সাইবার বুলিং নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “শিশুদের ছোটবেলা থেকেই কোনটি সঠিক আর কোনটি ভুল—এভাবে শিক্ষা দেওয়া গেলে তারা ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য বুঝতে শিখবে।”
অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে ‘আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি জাতীয় রিলস মেকিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।