কক্সবাজার সদরের উত্তর নুনিয়ারছড়া এলাকা থেকে সৈকতের বালুর নিচে পুঁতে রাখা সাড়ে ৬ লাখ পিস ইয়াবা ও ১০ কেজি হেরোইন উদ্ধার করেছে র্যাব। এসময় দুই শীর্ষ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নেয়ামুল হালিম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, চকরিয়া উপজেলার চরণদ্বীপ এলাকার মৃত হোসেন আহমদের ছেলে মো. ইসমাইল (৪৩) এবং উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী এলাকার মৃত সাবের আহমদের ছেলে নজরুল ইসলাম (৪২)।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নেয়ামুল হালিম খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে উত্তর নুনিয়ারছড়া প্যারাবন সংলগ্ন সমুদ্রসৈকতে একটি বড় মাদকের চালান খালাসের অপেক্ষায় মজুত রয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে র্যাবের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানকালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া করে ওই দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সমুদ্রসৈকতের বালুর নিচে পুঁতে রাখা চারটি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাগুলো থেকে ৬ লাখ ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ১০ কেজি হেরোইন সদৃশ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।
তিনি আরো জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, মাদক কারবারিরা মাছ ধরার ট্রলারের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে সমুদ্রপথে এসব মাদক দেশে নিয়ে আসে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে অভিনব কৌশলে তারা সৈকতের বালুর নিচে মাদকগুলো মজুত করে রাখে, যা পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল।
গ্রেপ্তারকৃত ইসমাইল দীর্ঘদিন ধরে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে মাদক চোরাচালানের অন্যতম মূল হোতা হিসেবে সক্রিয় ছিল। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।