ক্যাম্পাস

‘কুহেলিকা’ উৎসবে মেতেছে ইবি ক্যাম্পাস

উদ্যোক্তা গড়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে চতুর্থবারের মতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ‘কুহেলিকা উৎসব ১৪৩২’ আয়োজন করেছে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন ‘অভয়ারণ্য'। এতে ২৮টি স্টলে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের শিল্পকর্মসহ বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলা হয়।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের সামনে বটতলা জুড়ে কুহেলিকা উৎসব পালন করবে সংগঠনটি।

বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী নানা উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কুহেলিকা উৎসবে অংশগ্রহণ করছে। শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে তৈরিকৃত ঐতিহ্যবাহী বাহারি পিঠা, হস্তশিল্প ও কারুকার্যের পসরা বসিয়েছে। এতে ফুটে উঠেছে বাঙালি সংস্কৃতির বৈচিত্র্য। কেউ পিঠার স্বাদ নিতে, কেউ গহনা-পোশাক দেখতে বা প্রিয়জনকে চিঠি লিখতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব বলেন, “অভয়ারণ্যের আয়োজনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। আমাদের সিনিয়র ভাইয়া-আপুরা তাদের তৈরি হস্তশিল্প ও কারুকার্যের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। এটি তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম।”

এ বিষয়ে অভয়ারণ্যের সভাপতি নাঈমুল ফারাবী বলেন, “শীতকে বরণ করে নেওয়ার ভাবনা থেকেই উৎসবের নামকরণ করা হয়েছে। এবারের কুহেলিকা উৎসবের প্রধান আকর্ষণ হলো ‘উদ্যোক্তা মেলা’।বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে যারা নতুন উদ্যোক্তা হতে চান বা ক্ষুদ্র পরিসরে ব্যবসা শুরু করেছেন, তাদের জন্য এটি একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।”

তিনি আরো বলেন, “আমাদের মেলার আরো দুটি অংশ আছে। একটা হচ্ছে চিঠিবাক্স। যে কেউ চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে তার প্রিয়জনকে চিঠি দিতে পারে। এক্ষেত্রে আমরা ডাকপিয়নের কাজ করে থাকি। আর উৎসবে ‘রঞ্জন’ কালচারাল প্রোগ্রাম হয়। সেখানে আমাদের নিজ শিক্ষার্থীদের তৈরি গান, নাটক, কবিতা, নৃত্য ইত্যাদি পরিবেশন করতে পারে।”