নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় নিখোঁজের এক মাস আট দিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে আলপনা বেগম সুমি (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার শুক্তগ্রামের বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের স্বামী আল-আমীন মন্ডলকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে এ তথ্য জানান নড়াইলের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রবিন হালদার।
পুলিশ সূত্র জানায়, আলপনা বেগম গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর রাত ১০টার পর শ্বশুর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজ গৃহবধূর ভাই সাকিব মোল্যা কালিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আলপনা বেগম নিখোঁজের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়। আল-আমীন মন্ডল জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন, আলপনা বেগমকে হত্যার পর মরদেহ গুম করার জন্য বাড়ির পাশে বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রেখেছেন। পরে তাকে নিয়ে রাতেই পুলিশ আলপনার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে।
নড়াইলের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রবিন হালদার বলেন, “জিডি হওয়ার পর পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। নিহতের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তিনি স্ত্রীকে হত্যা করেছেন বলে স্বীকার করেন। তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মরদেহটি বাড়ির পাশে একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”