সারা বাংলা

গোপালগঞ্জ-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারে বাধা

গোপালগঞ্জ-০১ আসনে রাতের আঁধারে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুলের ফুটবল প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ করেছেন তিনি।

জানা যায়, গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে গোপালগঞ্জ-০১ আসনের মুকসুদপুর উপজেলার বালিয়াকান্দি বাজার এলাকা থেকে জলিরপাড় ব্রিজ পর্যন্ত এবং ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দুই পাশসহ নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন স্থানে টাঙানো ফুটবল প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়। কিন্তু, এ ঘটনায় কে বা কারা দায়ী তা এখনো জানা যায়নি।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশ্রাফুল আলম শিমুলের ছোট ভাই মোঃ তরিকুল ইসলাম সজল গোপালগঞ্জ-০১ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, তার ভাই আশ্রাফুল আলম শিমুল মুকসুদপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তিনি সামাজিকভাবে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য একজন ব্যক্তি। বর্তমানে তিনি একটি রাজনৈতিক মামলায় কারাগারে রয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ফুটবল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়, নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন সড়কের পাশে বাঁশের চাটিতে টাঙানো ব্যানার ও ফেস্টুন পরিকল্পিতভাবে ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় প্রচার মাইক বাজাতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের শামিল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় রাখা জরুরি।

এ বিষয়ে তরিকুল ইসলাম সজল বলেন, “প্রতিপক্ষ প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা পরিকল্পিতভাবে ফুটবল প্রতীকের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলেছে। আমাদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড করছে। তবে এসব ষড়যন্ত্র আমাদের বিজয়কে থামাতে পারবে না। বিজয়ের পতাকা আমাদেরই হবে।”

এ প্রসঙ্গে গোপালগঞ্জ-০১ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহামুদ আশিক কবির বলেন, “এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। আমি অভিযোগটি দায়িত্বরত বিচারিক কর্মকর্তার ও সিনিয়র সিভিল জজ এর কাছে জমা দেয়ার জন্য অভিযোগকারীকে বলেছি। তবে বিষয়টি আমি অবগত আছি।”

এ ব্যাপারে দায়িত্বরত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কর্মকর্তা ও সিনিয়র সিভিল জজ মোঃ সালাহ উদ্দিন   বলেন, “অভিযোগের প্রেক্ষিতে সার্বিক বিবেচনায় অভিযোগের সত্যতা নিরুপনের লক্ষ্যে ঘটনাস্থ পরিদর্শন, সাক্ষ্যগ্রহণ, জনসাধারনের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রমাণ সংগ্রহের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”