খেলাধুলা

বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিতের পরও চ্যাম্পিয়ন লক্ষ্য থেকে সরে যাচ্ছে না বাংলাদেশ

আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে হবে নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের দশম আসর এটি। ২০১৪ সাল থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়মিত খেলছে বাংলাদেশ। প্রতিবারই কোয়ালিফাইং রাউন্ড পার করে বিশ্বকাপে অংশ নিতে হয় টাইগ্রেসদের। এবারো তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।

নেপালে বাছাই পর্বের ম্যাচে টানা পাঁচ জয় পেয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। দুই ম্যাচ হাতে রেখেই বাংলাদেশের মেয়েরা পেয়ে গেছে বিশ্বকাপের টিকিট। গ্রুপ পর্বের চার ম্যাচে জয়ের পর সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচও জেতে বাংলাদেশ। গতকাল থাইল্যান্ডকে হারায় ৩৯ রানের বড় ব্যবধানে।

নিজেদের পারপরম্যান্সে সন্তষ্ট দল। ব্যাট-বলে সমানতালে যেভাবে পারফর্ম করছেন তাতে মুখে তৃপ্তির হাসি স্পিন অলরাউন্ডার রাবেয়া খানের। গণমাধ্যমে তিনি বলেছেন, ‘‘এটা (কোয়ালিফাইং করা) আমাদের খুব ভালো লাগার বিষয়। আমার বোলিং নিয়েও আমি খুশি। দলের সব খেলোয়াড় ভালো শেপে আছে। সবাই র‌্যাংকিংয়ে উপরে আসছে। ব্যাটার ও বোলাররা ভালো ফ্লোতে আছে। সবাই ভালো শেপে দেখে ভালো লাগছে। এগুলো আমাদের কাজে দেবে।’’

বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিতের পর বাছাই পর্বে চ্যাম্পিয়ন হওয়া লক্ষ্য বাংলাদেশের, ‘‘অনেক বেশি খুশি। এই সব কোয়ালিফাইং টুর্নামেন্টে অনেক কঠিন সময় দিতে হয়। চিন্তা বিষয় থাকে, জিততে হবে। এই দিক থেকে আমরা পাঁচটি ম্যাচে ভালোভাবে জিতেছি। আমরা স্কটল্যান্ডের সঙ্গে খেলব। এখানে এসেছি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য। তাই এই দলটাকেও ছোট করে দেখবো না। আমরা আমাদের প্রসেস অনুয়ায়ী এগিয়ে যাব।’’

২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ছয় আসরে বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচে ৩টিতে জিতেছে। এবার বাংলাদেশের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে নিজেদের বিশ্বকাপের মূলমঞ্চে তুলে ধরার। বাছাই পর্বে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া নিগার সুলতানা জ্যোতির প্রশংসা করে রাবেয়া খান বলেছেন, ‘‘জ্যোতি আপু আমাদের সব সময় সমর্থন করে। যে কোনো পরিস্থিতিতে আমাদের বুস্ট আপ করে। তার সঙ্গে আমাদের সবার ভালা বোঝাপড়া হয়। আমরাও তার পাশে থেকে সমর্থন করি, তিনিও থাকেন।’’