নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মবিরতির কারণে দ্বিতীয় দিনের মতো অচলাবস্থা বিরাজ করছে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমে। এই আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কসহ চারজনক পানগাঁও বদলি এবং চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কর্তৃক বন্দর এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও এই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে বন্দর থেকে আমদানি পণ্যের ডেলিভারি, কনন্টেইনার হ্যান্ডলিং, বন্দরের ভেতরে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে, বন্দরের বহিঃনোঙরে মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস কার্যক্রম স্বাভাবিক আছে।
চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন বলেন, “পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আমাদের কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। কর্মবিরতি চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সিএমপির নিষেধাজ্ঞার কারণে আমরা বন্দর এলাকায় কোন সভা-সমাবেশ বা মিছিল করছি না। বন্দর এলাকার বাইরে আমরা মিছিল সমাবেশ করব।”
এদিকে, শনিবার বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীরসহ চারজনকে ঢাকার পানগাঁও আইসিটিতে বদলি করেছে। রবিবার বিকেলের মধ্যে তাদের পানগাঁও আইসিটিতে যোগ দেওয়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।