বিনোদন

গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস নিয়ে কটাক্ষ, সঞ্চালককে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

বিশ্বসংগীতের সবচেয়ে বড় আসর ‘গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস’। সদ্য শেষ হয়েছে অনুষ্ঠানটির ৬৮তম আসর। এরই মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বললেন, “গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস দেখার অযোগ্য।” পাশাপাশি অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক ট্রেভর নোয়াকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।  

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট দিয়েছেন। এতে তিনি বলেন, “গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস হলো সবচেয়ে খারাপ, যা ভার্জুয়ালি দেখার অযোগ্য! সিবিএস ভাগ্যবান যে, এই আবর্জনা আর তাদের প্রচার করতে হয় না।” 

অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক ট্রেভর নোয়াকে কটাক্ষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “সঞ্চালক ট্রেভর নোয়া, সে যেই হোক না কেন, লো রেটিংসের অস্কারের জিমি কিমেলের মতোই খারাপ। নোয়া আমার সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়েছে।” 

নোয়ার বক্তব্য উল্লেখ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “সে বলেছে, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং বিল ক্লিনটন এপস্টাইন আইল্যান্ডে সময় কাটিয়েছেন।’ এটা ভুল! বিলের ব্যাপারে আমি বলতে পারি না, কিন্তু আমি কখনো এপস্টাইন আইল্যান্ডে যাইনি। এমনকি তার কাছাকাছিও না। আর আজ রাতের এই মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্যের আগে কখনো আমার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠেনি। এমনকি ফেক নিউজ মিডিয়াও এটা করেনি।” 

কটাক্ষ করার পাশাপাশি নোয়ার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার হুমকি দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “নোয়া একজন ব্যর্থ মানুষ। তার তথ্য ঠিক করা উচিত, দ্রুত ঠিক করা উচিত। এই দরিদ্র, নগন্য, প্রতিভাহীন, গাধার বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য সম্ভবত আমি আমার আইনজীবীদের পাঠাব এবং বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ চাইব। লিটল জর্জ স্লোপাডোপোলাস’ আর অন্যদের জিজ্ঞেস করো, ওসব কেমন হয়েছিল। সিবিএসকেও জিজ্ঞেস করো! প্রস্তুত থাকো নোয়া, তোমার সঙ্গে একটু মজা করতে যাচ্ছি!” 

৬৮তম গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের আসরে বছরের সেরা গান নির্বাচিত হয়েছে ‘ওয়াইল্ডফ্লাওয়ার’। এ গানের জন্য পুরস্কার জিতেছেন বিলি আইলিশ। এই বিভাগের পুরস্কার ঘোষণার সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও এপস্টাইনের প্রসঙ্গ তোলেন সঞ্চালক নোয়া। খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, “এই তো, বছরের সেরা গান! অভিনন্দন, বিলি আইলিশ। বাহ। এটা এমন একটা গ্র্যামি, যা প্রতিটি শিল্পী পেতে চায়, প্রায় ঠিক ততটাই গ্রিনল্যান্ড চায় ট্রাম্প। আর সেটাই তো স্বাভাবিক। কারণ এপস্টাইন চলে যাওয়ার পর, বিল ক্লিনটনের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার জন্য তার নতুন একটা দ্বীপ দরকার।”

মূলত, ট্রেভর নোয়ার এসব বক্তব্য শোনার পর ট্রাম্প তার সোশ্যাল হ্যান্ডেলে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে এমন বক্তব্য দেন। এ নিয়ে এখন বিশ্বব্যাপী চর্চা চলছে।

*ভ্যারাইটি অবলম্বনে