টাঙ্গাইল সদর আসনে নির্বাচনি প্রচারকালে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে ফরহাদ ইকবাল অভিযোগ করেন, গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার হুগরা এলাকায় নির্বাচনি প্রচারকালে তার গাড়িবহরের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়।
তার দাবি, ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর কর্মীদের নির্দেশনায় এ হামলা হয়। ৩০ থেকে ৪০ জন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে আসেন এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। তারা প্রাণনাশেরও হুমকি দেন। হামলায় অন্তত ৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফরহাদ ইকবাল বলেন, “এই হামলা শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনি পরিবেশের ওপর সরাসরি আঘাত।”
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরাপদ প্রচারের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
ফরহাদ ইকবাল ভাষ্য অনুযায়ী হামলাকারীদের মধ্যে ছিলেন— উজ্জ্বল, মজনু মৃধা, আব্বাস মৃধা, রেজাউল, শুভ, শাকিল, আবু তালেব, আসলাম, শাহাদাৎ, মোহাম্মদ, তারিবুল্লাহ, মসলেম, মধু স্বর্ণকার, সাহাব উদ্দিন, মিন্টু মেম্বার প্রমুখ।
ফরহাদ ইকবাল বলেন, “এ ঘটনা শুধু আমার ওপর হামলা নয়, এটি শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনি পরিবেশের ওপর সরাসরি আঘাত। এটি নির্বাচনি আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন এবং গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। এই হামলার মাধ্যমে আমাকে নির্বাচন ও প্রচারণা কার্যক্রম থেকে ভয় দেখিয়ে সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করা হয়েছে।”
তিনি আরো বলেন, “টাঙ্গাইল সদর আসনের বিভিন্ন এলাকায় হামলার বিষয়ে আটটি লিখিত অভিযোগ করা হলেও কোনোটির সুরাহা হয়নি। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ঘটনাগুলো তদন্তাধীন আছে।”