বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেলসহ ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো কর্মবিরতি অব্যাহত রেখেছেন সরকারি কর্মচারীরা। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা পরিষদের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও কর্মবিরতি পালন করা হয়।
সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত চিতলমারী উপজেলার সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় কর্মচারীরা তাদের সকল দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। দাবি বাস্তবায়ন হলে তাৎক্ষণিকভাবে কাজে ফিরে যাওয়ার কথাও জানান তারা।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য ন্যূনতম সম্মানজনক বেতন নিশ্চিত করা জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে কম বেতনে পরিবার নিয়ে চরম কষ্টে দিন কাটাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি শেখ রাসেল মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল শেখ, সহ-সভাপতি (স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, চিতলমারী) মো. রিয়াজুল হক তালুকদার, সহ-সভাপতি মো. ইবরাহিমসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
বক্তারা বলেন, কম বেতনে পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটছে। তাই দ্রুত আমাদের ন্যায্য দাবি নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।
দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবি মেনে নেওয়া না হলে ঐক্যবদ্ধভাবে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হবে বলেও জানান তারা।
এদিকে চিতলমারীর পাশাপাশি অন্যান্য উপজেলা, জেলা পরিষদ ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও অনুরূপ কর্মসূচি পালন করেছেন।
গত ৩০ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে দাবি আদায় না হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে ‘ভুখা মিছিল’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।