নাটোরের বড়াইগ্রামে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে গিয়ে নারী কর্মীরা হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এছাড়া নির্বাচনি প্রচারে বাধা এবং ব্যানার–ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলারও অভিযোগ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাবেক শিবির নেতা হুমায়ন কবীর।
তিনি অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে এনসিপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয় যুব শক্তির জেলা সদস্য সচিব শারমিন আক্তারের নেতৃত্বে ৭–৮ জন নারী বড়াইগ্রাম উপজেলার শ্রীখন্ডি গীর্জা এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চান। এ সময় ধানের শীষের স্টিকার ও ব্যানার লাগানো দুটি মোটরসাইকেলে করে ৪–৫ জন ব্যক্তি সেখানে এসে নিজেদের ধানের শীষের কর্মী পরিচয় দিয়ে নারী কর্মীদের প্রচারে বাধা দেন। তারা নারীদের গালিগালাজ ও হুমকি-ধমকি দিলে নিরাপত্তাহীনতার কারণে প্রচার বন্ধ করে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য হন।
এছাড়া, একই দিন রাতে বনপাড়া পৌরসভার মহিষভাঙ্গা এলাকায় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে টাঙানো ব্যানার ও ফেস্টুন কে বা কারা ছিঁড়ে ফেলেছে বলেও অভিযোগ করা হয়। এসব ঘটনার জন্য বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীদের দায়ী করেন ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন হেনস্তার শিকার এনসিপি নেত্রী শারমিন আক্তার, হেফাজতে ইসলামের উপজেলা সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুক, এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক আমীর হামজা, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আক্কাস আলী তাহাস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা শিহাব উদ্দিন এবং জাতীয় ছাত্র শক্তির উপজেলা সদস্য সচিব নাঈম ইসলাম।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও বড়াইগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”