ঢাকা-১৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক বলেছেন, “নির্বাচনি এলাকায় কোনো বহিরাগত ব্যক্তির অবস্থান বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।”
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) প্রচারের ১৭তম দিনে মিরপুর-১২ ও সংলগ্ন বিভিন্ন ক্যাম্প এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক অভিযোগ করেন, “জামায়াতের প্রার্থী নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন স্থানে বহিরাগত ভাড়াটে লোকজন জড়ো করছেন। নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী নিজ এলাকার ভোটার না হলে কেউ এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না।অথচ জামায়াতের মিছিল-মিটিংয়ে অনেক অচেনা মুখ দেখা যাচ্ছে। আমরা তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছি এবং ইতোমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি জানিয়েছি।”
তিনি জামায়াত প্রার্থীর উদ্দেশ্যে সতর্ক করে বলেন, “অবিলম্বে বহিরাগতদের এলাকা থেকে সরিয়ে নিন। অন্যথায় যেকোনো পরিস্থিতির দায়-দায়িত্ব আপনাদেরই নিতে হবে।”
এলাকার সন্তান হিসেবে নিজের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, “আমি এই জনপদেই বড় হয়েছি। অলি-গলি থেকে শুরু করে এখানকার মানুষের সমস্যা আমার জানা। আমি কোনো ফাঁকা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করেছি। ধানের শীষ বিজয়ী হলে এবং আমরা সরকার গঠন করলে প্রতিটি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।”
তিনি বিশেষ করে এলাকার মৌলিক সমস্যা সমাধানে নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
এলাকার প্রায় চার লাখ ভোটারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “এখানে নারী ও পুরুষ ভোটার প্রায় সমান। নির্বাচনের দিন সবাই নির্দ্বিধায় ও নিঃসংকোচে কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করুন। একটি ভোটই পারে জবাবদিহিমূলক জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে।”
এখন পর্যন্ত এলাকার পরিবেশ সন্তোষজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, “লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রয়েছে। তবে আমরা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে আছি। কেউ উস্কানি বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে।”
গণসংযোগকালে ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দারা আমিনুল হকের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। এ সময় স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।