সারা বাংলা

রাঙামাটির দুর্গম কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনি সরঞ্জাম ও জনবল পাঠানো শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে রাঙামটির দুর্গম হেলিসর্টি ভোট কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম ও জনবল হেলিকপ্টারে করে পাঠানো শুরু হয়েছে। 

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলার ২০টি হেলিসর্টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে প্রথম ধাপে তিনটি উপজেলায় চারটি কেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম ও জনবল পাঠানো হয়। এর মধ্যে বরকল উপজেলায় দুটি, জুরাছড়ি উপজেলায় একটি ও বিলাইছড়ি উপজেলায় একটি কেন্দ্র রয়েছে। 

নির্বাচনের দিন ভোটাররা পাহাড় ডিঙিয়ে কোনোরকমে এসব ভোট কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারলেও ভোটের কাজে নিয়োজিত লোকজনদের যেতে হয় কয়েকদিন আগে। এসব কেন্দ্রের বেশিরভাগই মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে। ফলে, ফল পেতেও বিলম্ব হয়। 

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০টি হেলিসর্টি কেন্দ্রের অধীনে ভোটার আছেন মোট ৩৩ হাজার ৪৪৫ জন। বাঘাইছড়ি উপজেলায় ছয়টি হেলিসর্টি ভোট কেন্দ্র আছে। এগুলোতে ভোটার ১১ হাজার ৬ জন। সীমান্তবর্তী আরেক উপজেলা বরকলের আইমাছড়া ও বড় হরিণা ইউনিয়নের দুটি হেলিসর্টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ হাজার ১৩১ জন। অন্যতম দুর্গম উপজেলা জুরাছড়িতে সাতটি হেলিসর্টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ১০ হাজার ৩১৯ জন। বিলাইছড়ি উপজেলার দুটি ইউনিয়নে মোট পাঁচটি হেলিসর্টি ভোট কেন্দ্র আছে। এগুলোতে ৭ হাজার ৯৯৩ জন ভোটার আছেন।

রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আবদুর রকিব বলেছেন, “রাঙামাটি আসনের ২১৩টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ২০টি হেলিসর্টি কেন্দ্রকে লাল বা অতি ঝুঁকিপূর্ণ, ১৪৯টি কেন্দ্রকে হলুদ বা ঝুঁকিপূর্ণ এবং বাকি ৪৪টি কেন্দ্রকে সবুজ বা সাধারণ কেন্দ্র হিসেব চিহ্নিত করা হয়েছে।” 

তিনি জানান, ভোটাররা যাতে নিরাপদে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য সব ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৩ হাজারের বেশি সেনা সদস্য, ৩৭ প্লাটুন বিজিবি, ১ হাজার ৫৯৭ জন পুলিশ সদস্য ও ২ হাজার ৭৬৯ আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমা আশরাফী বলেছেন, “শনিবার থেকে হেলিসর্টি কেন্দ্রে ব্যালটসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম ও কর্মকর্তাদের পাঠানো শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবগুলো কেন্দ্রে পাঠানো হবে।”