জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, “নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং জনজোয়ার ঠেকাতে নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে।”
তিনি বলেন, “যদি নির্বাচনে কারচুপি, দখলদারি কিংবা অনিয়ম হয় এবং নির্বাচন গ্রহণযোগ্য না হয়; তাহলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে যাবে।”
শনিবার (৭ জানুয়ারি) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তাহের বলেন, “সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে সারা দেশে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”
তিনি দাবি করেন, ভোটকেন্দ্রে সন্ত্রাস বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা হলে জনগণ তা প্রতিরোধ করবে। শান্তিকামী মানুষের ঐক্যই সকল অপচেষ্টা রুখে দিতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তাহের।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়াই জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের লক্ষ্য।”
তাহের বলেন, দেশ এখন কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে ১১ দলীয় জোট, অপরদিকে আরেকটি দল। ১১ দলীয় জোটে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতিনিধিত্বকারী দল, ইসলামী দল এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক শক্তি রয়েছে। এই জোট বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে বলে দাবি করেন তিনি।
জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, “আজ বাংলাদেশ এক চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জাতি কি আবার পুরনো অন্ধকারের দিকে ফিরে যাবে, নাকি একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে যাবে—সে সিদ্ধান্ত হবে আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে।”
তিনি বলেন, “যারা আগে সংস্কার ও ভোটের প্রশ্নে দ্বিধায় ছিলেন, জনগণের চাপের মুখে তারাও এখন অবস্থান পরিবর্তন করছেন।”
তাহের বলেন, “যারা অতীতে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের কথা বললেও বাস্তবে তা বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের কাছ থেকে আবারও একই প্রতিশ্রুতি আসছে। কিন্তু বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির চিত্র জনগণের কাছে স্পষ্ট।”