সারা বাংলা

প্রার্থী তালিকায় নাম নেই, কুলা প্রতীকে ভোট চাচ্ছেন দুদু জোদ্দার

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী দাবি করে এক ব্যক্তির নির্বাচনি প্রচারকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। কুলা প্রতীক ব্যবহার করে পোস্টারিং ও প্রচারকে ঘিরে ব্যাপক সমালোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ মানুষদের মধ্যে। প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকলেও কুলা প্রতীকে ভোট চাচ্ছেন মো. দুদু জোদ্দার।

কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) সংসদীয় আসনে মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা সবগুলো মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।

পরে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী কে এম ফজলুল হক মন্ডল ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি মনোনীত প্রার্থী সেফালী বেগমের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। আদালতের আদেশে সেফালী বেগমের মনোনয়ন বাতিল হলে সাতজন বৈধ প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচার চালাচ্ছেন।

এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ করে মো. দুদু জোদ্দার নামের এক ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটে। তিনি নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী দাবি করে ‘কুলা’ প্রতীকে ভোট চেয়ে এলাকায় পোস্টারিং ও প্রচার করছেন। এতে সাধারণ ভোটারদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মো. দুদু জোদ্দার চিলমারী উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের কড়াইবরিশাল নতুন আশ্রয়ন কেন্দ্র এলাকার বাসিন্দা ধনীয়া জোদ্দারের ছেলে। এর আগেও তিনি উলিপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পরিচয়ে কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ‘হেলিকপ্টার’ প্রতীকে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী দাবি করে পোস্টারিং ও মাইকিং করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিলেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ‘মো. দুদু জোদ্দার’ নামে সংসদ সদস্য পদে কোনো মনোনয়নপত্র জমা পড়েনি।

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক বলেছেন, “দুদু জোদ্দার বিভিন্ন নির্বাচনে এভাবে নিজেকে প্রার্থী দাবি করে পোস্টার লাগান। তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।”