ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট মহানগর পুলিশের আওতাধীন ছয়টি থানার ৯৫টি ভোটকেন্দ্রকে ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে, জেলা পুলিশ তাদের আওতাধীন কোনো ভোটকেন্দ্রকে ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেনি। সিলেটের ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১ হাজার ১৬টি।
সিলেট মহানগর ও জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিলেট সিটি করপোরেশন ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-১ আসনের সব ভোটকেন্দ্র মহানগর পুলিশের ছয়টি থানার আওতায়। এছাড়া সিলেট-৩ আসনের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার কিছু ভোটকেন্দ্র নগর পুলিশের দুটি থানার অধীনে পড়েছে। সিলেট-২, ৪, ৫, ৬ এবং সিলেট-৩ আসনের বাকি দুটি উপজেলার ভোটকেন্দ্র জেলা পুলিশের আওতাধীন।
গত ৭ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রে মহানগরের ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ ভোটকেন্দ্রগুলোতে চারজন করে অস্ত্রধারী পুলিশ, দুইজন অস্ত্রধারী আনসার এবং লাঠিসহ ১০ জন পুলিশ ও নারী আনসার মোতায়েনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই পরিপত্রে বলা হয়, ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘সাধারণ’ ভোটকেন্দ্রগুলোতে তিনজন অস্ত্রধারী পুলিশ, দুইজন অস্ত্রধারী আনসার এবং লাঠিসহ ১০ জন পুলিশ ও নারী আনসার দায়িত্ব পালন করবেন।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, নগর পুলিশের আওতায় মোট ২৯৪টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ৯৫টি কেন্দ্র ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’, ১৩৪টি ‘গুরুত্বপূর্ণ’ এবং ৬৫টি ‘সাধারণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “ভোটকেন্দ্রগুলোতে পুলিশ, আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ছাড়াও মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”
সিলেট জেলা পুলিশের গণমাধ্যম কর্মকর্তা মো. সম্রাট তালুকদার বলেন, “স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী দূরত্ব, ভোটারের সংখ্যা ও দুর্গমতা বিবেচনায় জেলার ১০৩টি ভোটকেন্দ্রকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া জেলার ৬১৯টি ভোটকেন্দ্রকে ‘সাধারণ’ কেন্দ্র হিসেবে ধরা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে দায়িত্ব পালন করা হবে।