জাতীয়

ঋণ পরিশোধে ১৫০ ওমরাহ এজেন্সিকে পাঁচ দিনের আল্টিমেটাম

করোনা মহামারির সময় সরকারের কাছ থেকে নেওয়া কর্জে হাসানা (ফেরতযোগ্য ঋণ) এখনো পরিশোধ করেনি ১৫০টি ওমরাহ এজেন্সি। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায় এসব এজেন্সির স্বত্বাধিকারী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্যবস্থাপনা অংশীদারদের আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে ঋণ পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৮ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ ফেরত না দিলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চিঠিতে বলা হয়, করোনা মহামারির সময় ক্ষতিগ্রস্ত ওমরাহ এজেন্সিগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত এজেন্সিগুলোর জামানতের ৫০ শতাংশ অর্থ কর্জে হাসানা হিসেবে প্রদান করা হয়েছিল। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি এজেন্সিকে ১০ লাখ টাকা করে ফেরতযোগ্য ঋণ দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে এজেন্সিগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঋণ পরিশোধের সময়সীমা একাধিকবার বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ষষ্ঠ দফায় এ সময়সীমা ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও ১৫০টি এজেন্সি ঋণের টাকা পরিশোধ করেনি।

এ অবস্থায় চিঠিতে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে কর্জে হাসানা বাবদ নেওয়া ১০ লাখ টাকার সমপরিমাণ এফডিআর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের অনুকূলে লিয়েন হিসেবে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।