ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেষ দিনের নির্বাচনি প্রচারে মুখরিত গোপালগঞ্জের ৩টি আসনের বিএনপি, জামায়াত, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপালগঞ্জ শিশু পার্ক থেকে বিএনপি প্রার্থী ডা. কে এম বাবরের নেতৃত্বে নির্বাচনি শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।
এ সময় নেতাকর্মীদের হাতে ছিল প্রার্থীর ছবি সংবলিত পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন। ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের সমর্থনে দেওয়া মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। শোভাযাত্রা চলাকালে ছাদখোলা গাড়িতে দাঁড়িয়ে ডা. বাবর হাত নেড়ে সাধারণ মানুষকে শুভেচ্ছা জানান এবং রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ জনগণও তাকে উষ্ণ অভিবাদন জানায়। এর আগে সকাল থেকেই পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমবেত হতে থাকেন।
গোপালগঞ্জ-০২ আসনের জাকের পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহমুদ হোসেন ও বাংলাদেশ খেলাফত মসলিসের প্রার্থী শুয়াইব ইব্রাহিম। জেলা শহরে এ শোডাউন করা হয়।
গোপালগঞ্জ-০১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের কারাবন্দী প্রার্থী মো: কাবির মিয়ার পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন কর্মী-সমর্থকেরা। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর ব্রিজ থেকে একটি নির্বাচনি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে প্রার্থী মো: মিয়ার পক্ষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
গোপালগঞ্জ-০৩ আসনের কোটালীপাড়া উপজেলায় নির্বাচনি মিছিল করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো: মারুফ শেখ। টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনি শোডাউন করেন স্বতন্ত্রপ্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. কে এম বাবর গোপালগঞ্জের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং বেকার যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান।
বাবর বলেন, “আগামী পাঁচটি বছর আপনাদের সেবক বা খাদেম হিসেবে কাজ করার সুযোগ চাই। আমাকে একবার ধানের শীষে ভোট দিয়ে আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন।”