সারা বাংলা

চট্টগ্রাম নগরী ফাঁকা, নিরাপত্তা জোরদার 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের আগের দিন বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান সড়কগুলো ফাঁকা হয়ে গেছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বন্দরনগরীর মূল সড়কে যানবাহনের চলাচল তেমন ছিল না। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকে রাস্তায় বের হতে দেখা যায়নি।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য বৃহস্পতিবার এবং ভোটের আগের দিন বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। এর সঙ্গে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এবং শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সাপ্তাহিক ছুটি যোগ হয়েছে। ফলে টানা চার দিন ছুটি থাকবে। 

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ছুটি থাকবে। ফলে সব মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা পাঁচ দিনের ছুটি থাকবে। এই ছুটি শুরু হচ্ছে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) থেকে। এ লম্বা ছুটিতে মানুষ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বহু মানুষ চট্টগ্রাম ছেড়েছে।    

ভোর থেকে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। তারা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে নিরাপত্তা তদারকি করছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার জন্য চট্টগ্রাম বন্দরের সব অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। সকাল থেকে বন্দরকেন্দ্রিক ট্রাক ও ভারী যানবাহনের চলাচল প্রায় বন্ধ আছে। 

চট্টগ্রাম মহানগরের ব্যস্ততম বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি মোড়, চকবাজার, জামাল খান, আন্দরকিল্লা, গনি বেকারি মোড়, কাজীর দেউড়ি, লাভলেইন, কোতোয়ালি মোড় ও নিউ মার্কেট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সড়কে যানবাহনের সংখ্যা হাতে গোনা। মূলত রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছিল। সীমিত সংখ্যক গণপরিবহন চলাচল করতে দেখা গেছে। 

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভুইয়া বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চার দিনের বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম আগের দিন থেকে মাঠে কাজ শুরু করেছে। রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। 

ভোটারদের নিরাপদে আসা-যাওয়া নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।