চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন আলোচিত অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে জয়ের পর আশা ব্যক্ত করে বাঁধন রাইজিংবিডিকে বলেছিলেন—“একটি সুষ্ঠু, স্বাভাবিক নির্বাচন যেন হয়। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ভোট প্রয়োগ; মানুষ যেন ভোটের মাধ্যমে সরকার নির্বাচন করতে পারেন।”
অপেক্ষার পর বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। পরিবার নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন এই অভিনেত্রী। ভোট দিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশের পাশাপাশি, দেশ নিয়ে আশার কথা জানান তিনি।
আজমেরী হক বাঁধন বলেন, “আমি ঢাকা-১৬ আসনের ভোটার। মা–বাবাকে নিয়ে ভোট দিয়েছি। আমি একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখছি। এভাবেই একটি গণতান্ত্রিক সরকার নির্বাচিত হয়ে দেশ গঠনে কাজ করবে। সব ধর্ম-বর্ণের জন্য একটি নিরাপদ দেশ হবে, সেটাই প্রত্যাশা। আগামীর বাংলাদেশ একটি সাম্যের দেশ হবে। এখানে সবাই সবার অধিকার বুঝে পাবে।”
পরিবর্তনের পথ তৈরি হয় মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে, আর সেই অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমই ভোট। কোনো রকম ইঞ্জিনিয়ারিং ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এভাবে একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হবে; যারা দেশের জনগণের জন্য কাজ করবে। সাম্য বজায় রাখবে। সবাই তাদের অধিকার বুঝে পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন বাঁধন।
ভোট প্রদানের পর এভাবে ফ্রেমবন্দি হন বাঁধন
অভিনয় শিল্পী পেশাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান নতুন সরকারের প্রতি। এ বিষয়ে আজমেরী হক বাঁধন বলেন, “তথ্য ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ে এমন কাউকে পাব, যে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে চিন্তা করবেন। এ ছাড়া বড় চাওয়া পেশাগত স্বীকৃতি রাষ্ট্রীয়ভাবে যেন দেওয়া হয়। এটা গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। কারণ সামাজিকভাবে আমাদের পেশাকে খুব একটা ভালোভাবে দেখা হয় না। পেশার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি থাকলে ভালো হবে।”