জনগণের দেওয়া মতামত ও ভোটাধিকার চক্রান্তের মাধ্যমে ‘ম্যানুপুলেশন’ করার চেষ্টা হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নির্বাচন কমিশনে রাত প্রায় ৪টার দিকে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই হুঁশিয়ারী দেন।
তিনি অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য ফলাফল ঘোষণা কার্যক্রম অস্বাভাবিকভাবে বিলম্ব করা হয়েছে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তারা তথ্য পরিবর্তন করেছেন।
জুবায়ের বলেন, “জনগণের দেওয়া মতামত ও ভোটাধিকার যদি কোনো চক্রান্তের মাধ্যমে ম্যানুপুলেশন করা হয়, তাহলে আমরা কর্মসূচি দেবো। প্রয়োজনে আন্দোলনে যাবো, এবং সেটা হবে কঠোর আন্দোলন।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন নিয়ে এই জাতির যে ট্রমা—২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন আমরা দেখেছি। যারা এসব নির্বাচন করেছিল, তারা এখন কোথায় আছে?”
নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা চাই না এই নির্বাচন কমিশনও এমন পরিস্থিতিতে পড়ুক।”
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের এই নেতা বলেন, “জনগণের সম্মানজনক যে কোনো মতামতকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু সেই মতামত নিয়ে যদি কেউ চক্রান্ত বা ষড়যন্ত্র করে, তা আমরা মেনে নেব না। অতীতেও নির্বাচনকে ঘিরে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে, যা দেশবাসী মেনে নেয়নি।”
নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের পর পরবর্তী পদক্ষেপ ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।