টি-টোয়েন্টিতে স্কটল্যান্ড কেমন প্রতিপক্ষ তা জানার এর আগে সুযোগই হয়নি ইংল্যান্ডের। ২০২৪ সালে দুই দল একবারই মুখোমুখি হয়েছিল। বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল সেই ম্যাচ। দুই বছর পর আবার তাদের মুখোমুখি বিশ্বকাপের মঞ্চে কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে।
স্কটল্যান্ডকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে ১৫২ রানে ইংল্যান্ড আটকে রাখলেও লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় তারা। স্কোরবোর্ডে ১৩ রান তুলতেই নেই ২ উইকেট। ৬ ওভারে রান মাত্র ৪৩।
ছোট লক্ষ্য সব সময়ই চ্যালেঞ্জিং। বিপর্যয়ে পড়লেই শেষ! ইংল্যান্ডকে শুরুর ওই চাপ থেকে বাকিরা উদ্ধার করে স্বস্তির জয় এনে দেন। ১৮.২ ওভারে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ৫ উইকেট হাতে রেখে।
জয়ের নায়ক টম ব্যানটন। ৪১ বলে ৬৩ রান করেন ৪ চার ও ৩ ছক্কায়। এছাড়া জ্যাকব ব্যাথেল ২৮ বলে ৩২, স্যাম কারান ২০ বলে ২৮ রান করেন। শেষ দিকে উইল জ্যাকস ১০ বলে ১৬ রান করলে জয় নাগালে চলে আসে সহজে।
এর আগে ব্যাটিং করতে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে স্কটল্যান্ড। পেসার জফরা আর্চারের এক ওভারে জর্জ মুনসে ও ব্রেন্ডন ম্যাককুলেন আউট হন। খানিকটা আগ্রাসন দেখান জোনস। কিন্তু পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভারে তাকে ফিরিয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নেন স্যাম কারান। স্কটল্যান্ডের পাওয়ার প্লে’তে রান ৩ উইকেটে ৪২। জোসন ২০ বলে ৩৩ রান করেন ৫ চার ও ১ ছক্কায়।
চতুর্থ উইকেটে স্কটল্যান্ড প্রতিরোধ পায় ব্রুস ও বেরিংটনের ব্যাটে। ৪১ বলে ৭১ রানের জুটি গড়েন তারা। মনে হচ্ছিল স্কটল্যান্ড বড় সংগ্রহে পাবে তাদের ব্যাটে। কিন্তু দুই ব্যাটসম্যান ২ রানের ব্যবধানে পরপর দুই ওভারে সাজঘরে ফিরলে পথ হারিয়ে ফেলে তারা।
শেষ দিকে আর কেউ পারেনি দলের হাল ধরতে। অধিনায়ক বেরিংটন সর্বোচ্চ ৪৯ রান করেন। ৩২ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় সাজান ইনিংসটি। ১ রানের জন্য হাফ সেঞ্চুরি মিস করে আউট হন আলীদ রশিদের বলে। ১৮ বলে ২৪ রান আসে ব্রুসের ব্যাট থেকে। এছাড়া অলিভার ডেভিডসন ১৫ বলে ২০ রান করেন ২ চার ও ১ ছক্কায়। ১১৩ রান থেকে ১২৭ রানে যেতে ৫ উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। তাদের বড় রানের সম্ভাবনা সেখানেই শেষ হয়ে যায়।
ইংল্যান্ডের দুই স্পিনার ছিলেন দারুণ। রশিদ ৩৬ রানে ৩টি ও ডয়সন ৩৪ রানে ২ উইকেট নেন। এছাড়া আর্চার ২৪ রানে পেয়েছেন ২ উইকেট।
ইংল্যান্ডের তৃতীয় ম্যাচে এটি দ্বিতীয় জয়। নেপালকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরুর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৩০ রানে হেরেছিল তারা। আজ আবার পেল স্বস্তির জয়।