ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী পেয়েছে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ শাখার পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানিয়েছেন।
নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২৯০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী ২২৭ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে।
আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ, আমজনতার দল শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ পেয়েছে শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ। ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ। ইসলামিক ঐক্য পেয়েছে শূন্য শতাংশ।
খেলাফত মজলিস পেয়েছে শূন্য দশমিক ৭৬ শতাংশ। গণঅধিকার পরিষদ পয়েছে শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ। গণতন্ত্রী পার্টি ও গণফ্রন্ট ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ। গণফোরাম পেয়েছে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। গণসংহতি আন্দোলন ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।
জাকের পার্টি পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) পেয়েছে ০ শতাংশ। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।
জাতীয় পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ। জাতীয় পার্টি (জেপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) পেয়েছে শূন্য শতাংশ। জনতার দল ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ।
ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। নাগরিক ঐক্য ভোট ভোট পেয়েছে ০ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ ভোট পেয়েছে। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ।
বাংলাদেশ কংগ্রেস ভোট ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ভোট পায়নি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ভোট পেয়েছে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ। বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ। বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ। বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ভোট পেয়েছে ০ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ।
বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ। বাংলাদেশ নিজামে ইসলাম পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএনএল) ভোট পেয়েছে শূন্য শতাংশ।
বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। বাংলাদেশ লেবার পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদোশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি) শূন্য শতাংশ।
বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোট (মুক্তিজোট) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। বাংলাদেয় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ভোট পেয়েছে শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভোট পেয়েছে ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে ২৯৯টি আসনে ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। মোট প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ২৮ জন।