কলম্বোয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বুধবারের গুরুত্বপূর্ণ গ্রুপ ম্যাচে ব্যাট হাতে আগুন ঝরালেন পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান। তার অনবদ্য শতকে ভর করে পাকিস্তান তোলে ৩ উইকেটে ১৯৯ রান। জয়ের জন্য নামিবিয়ার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২০০ রানের।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন ওপেনার সাইম আইয়ুব ও ফারহান। দু’জনের সাবলীল ব্যাটিংয়ে দ্রুতই রান বোর্ডে উঠতে থাকে। তবে ৪০ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে জ্যাক ব্রাসেলের আঘাতে। ১২ বলে ১৪ রান করে ফেরেন সাইম। তার ইনিংসে ছিল দুটি চার।
এরপর অধিনায়ক সালমান আলি আগা নামেন ফারহানের সঙ্গে। দ্বিতীয় উইকেটে দু’জনে গড়েন ৬৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। চাপ সামলে দলকে শতকের ঘরে নিয়ে যান তারা। ফারহান তখন দারুণ ছন্দে। তুলে নেন নিজের দশম আন্তর্জাতিক অর্ধশতকও।
১২.১ ওভারে আবারও আঘাত হানেন ব্রাসেল। ২৩ বলে ৩৮ রান করে ফেরেন আগা। তার ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও দুটি ছক্কা। দলীয় সংগ্রহ তখন ১০৭/২।
চমক ছিল ব্যাটিং অর্ডারে। প্রত্যাশিতভাবে বাবর আজম না নেমে তিন নম্বরে আসেন খাওয়াজা নাফায়। তবে তার ইনিংস স্থায়ী হয়নি। এক বাউন্ডারিসহ পাঁচ রান করে ফেরেন তিনি। অধিনায়ক গেরহার্ড ইরাসমাসের শিকার হয়ে।
চতুর্থ উইকেটে শাদাব খানকে সঙ্গে নিয়ে আবার গতি তোলেন ফারহান। শুরুতে খান কিছুটা সময় নিলেও ফারহান থামেননি। একের পর এক চার-ছক্কায় পাকিস্তানকে নিয়ে যান দেড়শোর ঘরে। শেষ পর্যন্ত নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক শতক পূর্ণ করেন তিনি। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শতক করা দ্বিতীয় পাকিস্তানি ব্যাটার হিসেবে নাম লেখান। এর আগে এই কীর্তি ছিল কেবল আহমেদ শেহজাদের।
ফারহান-শাদাব জুটি শেষ দিকে যোগ করে আরও ৫০ রান। শাদাব ২২ বলে ৩৬ রান করেন, একটি চার ও তিনটি ছক্কায়। আর ফারহান ৫৮ বলে অপরাজিত ১০০ রান করে মাঠ ছাড়েন। তার ইনিংসে ছিল ১১টি চার ও চারটি ছক্কা। তার ইনিংসে ভর করে পাকিস্তান পায় ১৯৯ রানের বড় সংগ্রহ।